ভরপেট অবস্থায় মিলন করাও গুরুতর রোগ সৃষ্টি করতে পারে।
৪. অত্যন্ত পরিশ্রান্ত অবস্থায়, গোসল করার পরপরই কিংবা শোক, দুশ্চিন্তা ও অতি আনন্দের সময় মিলন এড়িয়ে চলা উচিত।
৫. সবচেয়ে উত্তম সময় হলো রাতের শেষ ভাগের আগে যখন খাবার হজম হয়ে যায়। মিলনের পর গোসল বা অযু করে ঘুমিয়ে পড়লে শরীরের শক্তি পুনরায় ফিরে আসে।
জ্ঞানী কবি কতই না চমৎকার বলেছেন:
“তোমার বীর্যকে সাধ্যমতো সংরক্ষণ করো,
কারণ এটিই হলো জীবন-সুধা যা জরায়ুতে ঢালা হয়।”
তিনি আরও সতর্ক করে বলেন— তিনটি জিনিস মৃত্যুর ফাঁদ স্বরূপ যা সুস্থ ব্যক্তিকে ঠেলে দেয় কঠিন ব্যাধির দিকে: মদপানের আসক্তি (যার সামান্য বা বেশি সবই হারাম), সর্বদা মিলনে মগ্ন থাকা এবং পেটে খাবার থাকা সত্ত্বেও পুনরায় আহার করা।
জুমুআর দিনে স্বামী-স্ত্রীর বিশেষ আমল ও তার মহিমা
জুমুআর দিন হলো সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিনের প্রতিটি ইবাদত যেমন বরকতময়, তেমনি মুমিনের ব্যক্তিগত পবিত্রতা অর্জনের প্রক্রিয়াটিও অত্যন্ত সওয়াবের। হাদীস শরীফে এই দিনের একটি বিশেষ আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে যা স্বামী-স্ত্রী উভয়ের জন্যই কল্যাণকর। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন:
“যে ব্যক্তি জুমুআর দিনে (স্ত্রীকে) গোসল করাল এবং নিজেও গোসল করল, অতঃপর সকাল সকাল এবং সবার আগে মসজিদে গেল, পায়ে হেঁটে গেল—কোনো যানে আরোহন করল না, ইমামের কাছাকাছি বসল এবং মন দিয়ে খুতবা শুনল—কোনো অনর্থক কাজ করল না; তবে তার প্রতিটি পদক্ষেপের বিনিময়ে এক বছর আমল করার সওয়াব মিলবে—এক বছর রোজা রাখা এবং এক বছর (রাত জেগে) নামাজ পড়ার সমান সওয়াব।” [সুনান আবী দাউদ ও সুনান ইবনে মাজাহ; হাদীসটি সহীহ]
ব্যাখ্যা ও হিকমত:
১. ‘গোসল করাল’ বলতে কী বোঝায়? এখানে স্ত্রীকে গোসল করানোর অর্থ হলো—জুমুআর নামাজের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার আগে স্ত্রীর সাথে মিলিত হওয়া, যার ফলে স্ত্রীর ওপর গোসল ফরজ বা ওয়াজিব হয়। এটি যুবকদের জন্য একটি প্রজ্ঞাপূর্ণ নির্দেশনা। জুমুআর মতো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতে যাওয়ার আগে এটি পুরুষের দৃষ্টিকে অধিকতর সংযত রাখতে এবং মনের একাগ্রতা বাড়াতে সাহায্য করে।
২. মসজিদে যাওয়ার গুরুত্ব: হাদীসে ‘সকাল সকাল’ যাওয়ার অর্থ হলো প্রথম সময়ে মসজিদে যাওয়া এবং খুতবার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে উপস্থিত থাকা।
অপ্রাকৃতিক পন্থায় (মলদ্বারে) মিলন: একটি জঘন্য পাপাচার ও তার নিষেধাজ্ঞা
ইসলাম
