২০টি ভাষায় অনূদিত আন্তর্জাতিক বেস্ট সেলার বই beyond democracy অবলম্বনে
বিয়ন্ড ডেমোক্রেসি
গণতন্ত্র কি শান্তি, সংহতি ও সমৃদ্ধির কথা বলে?
কারেল বেকম্যান • ফ্রাঙ্ক কারস্টেন
অনুবাদ ও সম্পাদনা: রাকিবুল হাসান
লেখক পরিচিতি
কারেল বেকম্যান লেখক ও সাংবাদিক। অনলাইন মিডিয়াম এনার্জি পোস্টার (energypost.eu) চিফ এডিটর।
ইতিপূর্বে অর্থনীতি-বিষয়ক ডাচ সংবাদপত্র Financieele Dagblad-এ, সাংবাদিক হিসাবে কাজ করেছেন। তার ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট www.charlieville.nl
ফ্রাঙ্ক কারস্টেন ডাচ লিবারেল ইন্সটিটিউশন Mises Institute Netherlands and Stichting Meer Vrijheid (More Freedom Foundation) এর প্রতিষ্ঠাতা, যারা কর এবং দৈনন্দিন জীবনে সরকারি হস্তক্ষেপ হ্রাসের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। নাগরিক জীবনে রাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কথা বলতে তিনি নিয়মিত জনসমক্ষে উপস্থিত হন।
প্রকাশকের কথা
মানবসভ্যতার সূচনাকাল থেকেই পৃথিবীর মানুষ দুইভাগে বিভক্ত—শাসক ও শাসিত। ক্ষুদ্র একদল মানুষ বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে শাসন করেছে সবসময। এটিই পৃথিবীর অমোঘ নিয়ম হিসেবে টিকে আছে। অবশ্য কালের স্রোতধারায়, ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশ, পরিস্থিতি ও প্রেক্ষাপটে শাসনব্যবস্থার নতুন নতুন রূপ হাজির হয়েছে পৃথিবীতে। ট্র্যাডিশনাল ইসলামি শাসনধারার বাইরে রাজতন্ত্র, স্বৈরতন্ত্র, অভিজাততন্ত্র, গোষ্ঠীতন্ত্র, সামন্ততন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের মতো নানা ঘাট পেড়িয়ে গণতন্ত্রে এসে থেমেছে এই সিলসিলা। কিন্তু তারপর? এখানেই কি শেষ? পশ্চিমা গণতন্ত্রের ব্যাপারে ফ্রান্সিস ফুকুমার সেই বিখ্যাত উক্তিটাই কি টিকে যাবে?
বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক সংকট ও অস্থিরতা বর্তমান সময়ের বড় সমস্যাগুলোর অন্যতম। ফলে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক সংকট, সমস্যা ও সম্ভাবনা বিষয়ে গবেষকদের পর্যালোচনা ও বিশ্লেষণ-সহ এ বিষয়ক খবরাখবর সংবাদমাধ্যমের চটকদার শিরোনাম হয় আজকাল। কিন্তু গতানুগতিক চিন্তাকে পাশ কাটিয়ে বৃত্তের বাইরে চিন্তা করতে পারা ও কথা বলতে পারা মানুষের সংখ্যা নিতান্তই কম এই ময়দানে।
চিন্তার এই সংকট পৃথিবীজুড়েই। এই জায়গায় এই বইটির লেখকদ্বয় ব্যতিক্রম। গণতন্ত্রের গতানুগতিক সমালোচনার বাইরে সরাসরি এই ব্যবস্থার ওপরই প্রশ্ন তুলেছেন তারা। গণতন্ত্রের তেরোটি মিথের শিরোনামে বলা যায় অসাধারণভাবে কাজটি করেছেন লেখকরা। রাজনৈতিক অস্থিরতার এমন সময়ে এই বইটি যদি প্রজ্ঞাবান রাজনীতিবিদ, তরুণ রাজনীতি চিন্তক ও সাধারণ পাঠকদের চিন্তার জগতে কোনো পরিবর্তন আনতে পারে, তাহলেই আমাদের শ্রম সার্থক হবে।
একটা কথা বলে রাখা ভালো যে, বইটির লেখকদ্বয় প্রচণ্ডভাবে লিবার্ট্যারিয়ান চিন্তায় প্রভাবিত। আমাদের জায়গা থেকে এই চিন্তাটাও মো্টাদাগে গলদ চিন্তা। ফলে
