আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) এ বিষয়ে এতটাই সতর্ক ছিলেন যে, এমনকি দুগ্ধপোষ্য শিশুকেও ঘর থেকে বের করে দিতেন।
২. সময়ের নির্বাচন: রাতের প্রথম ভাগ বা শেষ ভাগ—যেকোনোটি বেছে নেওয়া যায়। তবে রাতের প্রথম ভাগই উত্তম, কারণ এতে গোসলের জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় এবং ফজরের জামাত মিস হওয়ার আশঙ্কা থাকে না। তাছাড়া দীর্ঘ ঘুমের পর রাতের শেষ ভাগে মুখ বা শরীর থেকে দুর্গন্ধ বের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, যা হৃদয়ে বিতৃষ্ণা তৈরি করতে পারে। শরীয়তের মূল উদ্দেশ্য হলো ভালোবাসা বজায় রাখা, আর দুর্গন্ধ তার অন্তরায়।
৩. প্রস্তুতির সুযোগ দান: রাসূলুল্লাহ (সা.) সফর থেকে ফিরে হঠাৎ রাতে ঘরে প্রবেশ করতে নিষেধ করেছেন, যেন স্ত্রীরা অপ্রস্তুত অবস্থায় না থাকে। তারা যেন চুল আঁচড়াতে পারে, সুগন্ধি মাখতে পারে এবং নিজেকে পরিপাটি করে বরের সামনে উপস্থাপন করতে পারে।
৪. পূর্বরাগ ও মানসিক প্রস্তুতি: স্বামীর উচিত হবে না হুট করে বা পশুসুলভ পন্থায় মিলন শুরু করা; বরং আগে খুনসুটি, আলিঙ্গন ও চুম্বনের মাধ্যমে স্ত্রীকে মানসিকভাবে প্রস্তুত করা উচিত। নারীও পুরুষের কাছে ঠিক তেমনই সোহাগ চায় যা পুরুষ নারীর কাছে আশা করে। স্বামী যদি নিজের প্রয়োজন শেষ করেই উঠে যায়, তবে স্ত্রীর চাহিদা অপূর্ণ থেকে যেতে পারে, যা তার মেজাজ খিটখিটে করে দেয় এবং দীর্ঘমেয়াদে দাম্পত্য কলহ তৈরি করে।
৫. ধীরস্থিরতা ও ইহসান: কাজ শেষে স্বামীর উচিত হবে না তাড়াহুড়ো করে উঠে যাওয়া। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা উচিত যতক্ষণ না নিশ্চিত হওয়া যায় যে স্ত্রীর চাহিদাও পূর্ণ হয়েছে। এটিই হলো দাম্পত্যের ‘ইহসান’ বা মহানুভবতা।
৬. নেক নিয়ত: স্বামী মিলনের সময় এই নিয়ত করবে যে— আল্লাহ যেন তাদের এমন সন্তান দান করেন যার মাধ্যমে ইসলামের শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে এবং যে একজন নেককার আলেম হবে।
৭. পুনরায় মিলনের নিয়ম: স্বামী যদি পুনরায় মিলিত হতে চায়, তবে গোসল বা অযু করে নেওয়া উত্তম। আর যদি তা সম্ভব না হয়, তবে অন্তত অঙ্গটি ধুয়ে নেবে। কাজী আয়াজ (রহ.) বলেন— অঙ্গ ধৌত করলে তা পেশিগুলোকে শক্তিশালী ও সতেজ করে।
বাসর রাতের পরের দিন সকালে স্বামীর করণীয়
বাসর রাতের পরের দিন সকালে স্বামীর অলসতা বা কেবল স্ত্রীর সান্নিধ্যে মগ্ন থাকা উচিত নয়। বরং সুন্নত হলো
