তুহফাতুল আরূস

« <
/ 351
> »

নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এটি সুপ্রসিদ্ধ যে, দাড়িওয়ালা প্রবীণদের শারীরিক সক্ষমতা অন্যদের চেয়ে বেশি থাকে। ডক্টর সাবরী আল-কাব্বানী তাঁর সাময়িকীতে উল্লেখ করেছেন যে, দাড়ি যৌন মিলনের সময় নারীর মনে অধিক উদ্দীপনা তৈরি করে। সুতরাং দাড়ি কেটে পুরুষ ও নারী উভয়েই বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়। এছাড়া হাদীসে দাড়ি কাটার ব্যাপারে কঠোর নিষেধাজ্ঞা এসেছে এবং নারীদের সদৃশ গ্রহণকারীদের ওপর অভিশাপ দেওয়া হয়েছে।
৩. মিসওয়াক করা: দাঁতের সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে নবী (সা.) মিসওয়াকের ওপর অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন: “যদি আমার উম্মতের ওপর কষ্টকর না হতো, তবে আমি তাদের প্রতি নামাজের আগে মিসওয়াক করা বাধ্যতামূলক করে দিতাম।”
৪. নখ কাটা: অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, কিছু মুসলিম নারী এখন বিজাতীয় প্রথায় নখ লম্বা করে বন্য পশুর মতো রূপ ধারণ করে। এটি আল্লাহর দেওয়া ফিতরাতের সম্পূর্ণ বিরোধী। নখে ‘নেলপলিশ’ লাগানোও নিষিদ্ধ; কারণ এটি কাফির নারীদের অনুকরণ এবং এটি নখের ওপর আস্তরণ তৈরি করে বিধায় পানি পৌঁছাতে পারে না, ফলে অযু হয় না। আশ্চর্যের বিষয় হলো, যারা নিজেদের আধুনিক ও প্রগতিশীল দাবি করে, তারা নখ বড় রেখে নিজেদের বিড়ালের মতো কদর্য করে তোলে।
৫. আঙুলের গিঁটগুলো ধোয়া: আঙুলের গিঁট বা ভাঁজগুলোতে ময়লা জমে থাকে, তাই অযু বা গোসলের সময় তা ঘষে পরিষ্কার করা সুন্নাহ।
৬. বগলের চুল উপড়ে ফেলা: বগলের চুল কামানোর চেয়ে উপড়ে ফেলা (তুলে ফেলা) বেশি স্বাস্থ্যকর। গোসলের পর এটি করা খুব সহজ। কামালে অনেক সময় ত্বকে ক্ষত বা ফোঁড়া হতে পারে।
৭. নাভির নিচের চুল মুণ্ডানো: নাভির নিচের চুল পরিষ্কার না রাখা বিজাতীয় ও নোংরা অভ্যাস। তারা ইসলামের এই পরিচ্ছন্নতার নিয়ম জানে না বলেই অপরিচ্ছন্ন থাকে। উসামা ইবনে মুনক্বিয তাঁর ‘আল-ইতিবার’ গ্রন্থে ক্রুসেডারদের (ফিরিঙ্গি) একটি অদ্ভুত ও নোংরা কাহিনী উল্লেখ করেছেন—যা থেকে বোঝা যায় তারা কতটা অসভ্য ছিল। এক ফিরিঙ্গি যোদ্ধা হাম্মামখানায় (গণগোসলখানা) গিয়ে মুসলিম নাপিতের কাছে তার নাভির নিচের বিশাল দাড়ি সদৃশ জঙ্গল পরিষ্কার করিয়ে নিয়েছিল এবং পরে তার স্ত্রীর জন্যও একই কাজ করতে বলেছিল! এটি তাদের চরম নির্লজ্জতা ও অসভ্যতার বহিঃপ্রকাশ ছিল।
৮. পানি দিয়ে শৌচকার্য সম্পাদন করা: অর্থাৎ পানি দিয়ে ইস্তিনজা বা শৌচকার্য সম্পন্ন করা।
পরিশেষে, ইসলাম পরিচ্ছন্নতাকে

« <
/ 351
> »