এবং তাঁর কথা মেনে চলা।
৩ ও ৪: তাঁর চোখ ও নাকের খেয়াল রাখা। তোমার ওপর যেন তাঁর চোখ কোনো কদর্য জিনিসের ওপর না পড়ে এবং তোমার থেকে যেন তিনি সর্বোত্তম সুঘ্রাণ ছাড়া আর কিছুই না পান!
৫ ও ৬: তাঁর খাবার ও ঘুমের সময়ের দিকে নজর রাখা। কারণ ক্ষুধার জ্বালা মেজাজ খিটখিটে করে দেয় এবং ঘুমের ব্যাঘাত রাগ বাড়িয়ে দেয়!
৭ ও ৮: তাঁর সম্পদ হেফাজত করা এবং তাঁর পরিবার ও সন্তানদের দেখাশোনা করা। সম্পদের ক্ষেত্রে মূল বিষয় হলো সঠিক ব্যয় আর পরিবারের ক্ষেত্রে হলো সুব্যবস্থাপনা!
৯ ও ১০: তাঁর কোনো আদেশের অবাধ্য না হওয়া এবং তাঁর কোনো গোপন রহস্য ফাঁস না করা। কারণ তুমি অবাধ্য হলে তাঁর অন্তরে ক্ষোভ জন্মাবে, আর রহস্য ফাঁস করলে তুমি তাঁর বিশ্বাসঘাতকতা থেকে নিরাপদ থাকবে না। এছাড়া তিনি বিষণ্ণ থাকলে তাঁর সামনে আনন্দ প্রকাশ করো না, আবার তিনি আনন্দিত থাকলে তাঁর সামনে বিষণ্ণতা দেখিও না!”
পরিচ্ছন্নতা ও সুরমার গুরুত্ব
তৎকালীন জ্ঞানী ব্যক্তিরা কন্যার রূপ লাবণ্য ধরে রাখা ও স্বামীর সন্তুষ্টির জন্য শরীরী পরিচ্ছন্নতার ওপর বিশেষ জোর দিতেন। জনৈক ব্যক্তি তাঁর কন্যাকে বলেছিলেন: “সে যেন পানির সুব্যবস্থা ছাড়া কোথাও তাবু না ফেলে। কারণ পানি চেহারার লাবণ্য বাড়ায় এবং শরীর পরিচ্ছন্ন রাখে।” আবুল আসওয়াদ তাঁর কন্যাকে বলেছিলেন: “সাজসজ্জা বজায় রাখবে, আর শ্রেষ্ঠ সাজ হলো সুরমা। সুগন্ধি ব্যবহার করবে, আর শ্রেষ্ঠ সুগন্ধি হলো পূর্ণাঙ্গভাবে অযু করা।”
অযুর এই বিধানটি যে কত প্রজ্ঞাপূর্ণ তা আধুনিক যুগের পশ্চিমা সুন্দরীরাও স্বীকার করছেন। তারা পরামর্শ দেন প্রতিদিন বারবার ঠান্ডা পানি দিয়ে মুখ ধুতে, যা আমাদের শরীয়ত শত শত বছর আগেই নির্ধারণ করে দিয়েছে।
একটি কু-পরামর্শ ও সতর্কতা
রসিকতা ও শিক্ষার জন্য ‘উম্মে খাবীষা’-র সেই কুখ্যাত নসিহতটিও উল্লেখ করা যায়, যা মূলত একটি আদর্শিক বিচ্যুতির চরম উদাহরণ। সে তার মেয়েকে কু-পরামর্শ দিয়েছিল স্বামীর দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে তাকে দাস বানিয়ে ফেলতে। সে বলেছিল—প্রথমে তার প্রতিবাদ শুরু করো, এরপর ধীরে ধীরে তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে পর্যুদস্ত করো যেন সে প্রতিবাদ করার সাহস না পায়।
এই ধরনের আচরণ দাম্পত্য জীবনে কেবল বিচ্ছেদ ও অশান্তিই বয়ে আনে। একজন মুমিন নারীর বৈশিষ্ট্য হলো স্বামীর প্রতি আনুগত্য
