বিচলিত হয়ে পড়ে। এর ওপর যখন কনের বাড়ির লোকজন মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা প্রকাশ করতে শুরু করে, তখন সেই বেচারা স্বামীর মানসিক অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে। লোকলজ্জা আর শ্বশুরবাড়ির চাপ সামলাতে গিয়ে সে একসময় যৌন মিলনের প্রতিই বিতৃষ্ণ হয়ে ওঠে। তখন সে কেবল দায়বদ্ধতা থেকে এই কাজ করতে যায়, যেখানে কোনো আবেগ, আকাঙ্ক্ষা বা ব্যাকুলতা থাকে না। ফলে তার শারীরিক সক্ষমতা (Erection) সত্যি সত্যিই লোপ পায় এবং যে ভয়ের আশঙ্কা সে করছিল, তাই বাস্তবে রূপ নেয়।
সমাধান ও করণীয়:
এমন পরিস্থিতিতে একজন তরুণের কর্তব্য হলো— বিয়ের আগেই চিকিৎসকের কাছ থেকে সঠিক যৌন শিক্ষা গ্রহণ করা, যেন সে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে না পড়ে। ঠিক তেমনি স্ত্রীরও উচিত এ বিষয়ে সঠিক জ্ঞান রাখা, যেন স্বামীর প্রাথমিক অস্থিরতায় সে নিজে বিচলিত না হয়ে বরং তাকে সাহস ও মানসিক সমর্থন দিতে পারে।
দাম্পত্য জীবনের শুরুতে অন্তত সপ্তাহে এক বা দুইবার দম্পতির একান্ত নিজস্ব সময় কাটানো উচিত, যেখানে আত্মীয়স্বজনের কোনো প্রভাব থাকবে না। এই নিভৃত সময়গুলো তাদের একে অপরকে শারীরিকভাবে চেনা এবং আবেগীয় বন্ধন দৃঢ় করতে সাহায্য করবে, যার ফলে তাদের অনুভূতি ও আকাঙ্ক্ষাগুলো একবিন্দুতে মিলিত হতে পারবে।
ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “তোমাদের কেউ যখন তার স্ত্রীর কাছে আসে, তখন সে যেন তাড়াহুড়ো না করে। স্ত্রীকে সময় দেয়া এবং কোমল আচরণ করা সম্পর্ককে মধুর করে তোলে।” [মুসনাদে আহমাদ]। এছাড়া তিনি আরও বলেছেন: “কোনো মুমিন পুরুষ যেন কোনো মুমিন নারীকে (স্ত্রীকে) ঘৃণা না করে। যদি তার কোনো একটি আচরণ সে অপছন্দ করে, তবে তার অন্য কোনো আচরণে সে অবশ্যই সন্তুষ্ট হবে।” [সহীহ মুসলিম]। এই হাদীসটি প্রাথমিক ব্যর্থতার সময় ধৈর্য ধরার শিক্ষা দেয়।
চিকিৎসকদের পরামর্শ: বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেন, প্রথম রাতেই নিখুঁত সাফল্য আশা করা ঠিক নয়। স্বামী-স্ত্রী উভয়েরই উচিত ধৈর্য ধরা এবং একে অপরের সাথে খোলামেলা আলোচনা করা। যদি সমস্যা দীর্ঘায়িত হয়, তবে লজ্জা না করে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। মনে রাখতে হবে, এটি কোনো স্থায়ী অক্ষমতা নয়; সঠিক পরামর্শ ও চিকিৎসায় এটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য।
মধ্যবয়সে যৌন শীতলতা
দাম্পত্য জীবনের মধ্যবয়সে পৌঁছে অনেক স্বামী-স্ত্রীই যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া বা উৎসাহ হারিয়ে ফেলার অভিযোগ করেন। চিকিৎসক
