তুহফাতুল আরূস

« <
/ 351
> »

এটি নিয়ে অযথা দুশ্চিন্তা বা পাপবোধে ভোগার কোনো কারণ নেই।

যৌবনে ব্যর্থতার গ্লানি ও বিয়ের পরবর্তী অজ্ঞতা: একটি মনস্তাত্ত্বিক ও শরয়ী বিশ্লেষণ
যৌবনে ব্যর্থতার গ্লানি
যৌবনকালে অনেক তরুণই বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে কিংবা সঙ্গদোষে যৌন লালসার পিচ্ছিল পথে পা বাড়ায়। বিশেষ করে পেশাদার যৌনকর্মীদের (পতিতা) কাছে দলবদ্ধভাবে যাওয়ার যে প্রবণতা দেখা যায়, সেখানে অবধারিতভাবে এক ধরনের ব্যর্থতা বা অক্ষমতা জেঁকে বসে। তখন সেই তরুণ নিজেকে অত্যন্ত তুচ্ছ ও ছোট মনে করতে শুরু করে; কারণ সে অবচেতনভাবেই নিজেকে সেই সব অভিজ্ঞ পুরুষদের সাথে তুলনা করে যারা নিয়মিত এই পথে যাতায়াত করে। এছাড়া এমন নারীর সংস্পর্শে যৌনতা তার স্বাভাবিক মাধুর্য ও নান্দনিকতা হারিয়ে ফেলে। যৌনতা যখন পণ্য হিসেবে কেনাবেচা হয়, তখন সেখানে কোমল আবেগ কিংবা পারস্পরিক মায়ার কোনো স্থান থাকে না। এর সাথে যোগ হয় রোগাক্রান্ত হওয়ার ভয় এবং মিলনের আগে, চলাকালীন ও পরে বন্ধুদের বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য। ফলশ্রুতিতে, অনেক তরুণই এই একটি ব্যর্থ অভিজ্ঞতার কারণে চিরতরে নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।

অথচ উচিত ছিল এই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া যে— এটি কোনো সঠিক পথ নয়। বন্ধুদের তথাকথিত ‘সাফল্য’ আর নিজের ‘ব্যর্থতা’র মানে এই নয় যে সে শারীরিকভাবে দুর্বল; বরং এর প্রকৃত অর্থ হলো— সে যৌনতাকে স্রেফ কেনাবেচার পণ্যে নামিয়ে আনতে চায়নি এবং সে যৌনতার প্রকৃত ও আবেগীয় মর্যাদা দিতে চেয়েছে।

ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গি: ইসলাম স্পষ্টভাবে বিবাহের পূর্বে যেকোনো যৌন সম্পর্ককে হারাম ঘোষণা করেছে। আল্লাহ তাআলা বলেন: “আর তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না; নিশ্চয়ই এটি একটি অশ্লীল কাজ এবং অত্যন্ত নিকৃষ্ট পথ।” [সূরাহ আল-ইসরা: ৩২]। তাই তরুণদের উচিত বন্ধুদের প্ররোচনায় পতিতালয়মুখী না হয়ে ধৈর্য ধারণ করা এবং বৈধ পথে বিবাহের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া।
বিয়ের পরবর্তী অজ্ঞতা
বিয়ের পর অনেক দম্পতিই শুরুতে ব্যর্থতার সম্মুখীন হন। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এর প্রধান কারণ হলো— যৌন মিলন ও এর সঠিক পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক জ্ঞানের অভাব। অনেকেই মনে করেন এটি একটি সহজাত বা স্বাভাবিক বিষয়, কিন্তু যখন বাস্তব প্রয়োগের সময় আসে, তখন তারা বুঝতে পারে যে এর জন্য সঠিক কৌশল ও জানাশোনার প্রয়োজন আছে। এই প্রাথমিক ব্যর্থতা থেকেই মনে ভয় ও অস্থিরতা জন্মে। এরপর বারবার চেষ্টা করতে গিয়ে তারা আরও বেশি

« <
/ 351
> »