তুহফাতুল আরূস

« <
/ 351
> »

কমানো এবং দুগ্ধজাত খাবার, ফলমূল ও শাকসবজি বেশি করে খাওয়া।

৬. নির্জনতা পরিহার করা: একা থাকা ও নির্জনতা এই অভ্যাসকে উৎসাহিত করে। তাই সব সময় ভালো বন্ধুদের সাথে মেলামেশা করা এবং সমাজমুখী হওয়া।

৭. আল্লাহর স্মরণ (যিকির): বেশি বেশি আল্লাহর স্মরণ করা, কুরআন তেলাওয়াত করা এবং নফল নামাজ আদায় করা হৃদয়কে প্রশান্ত করে এবং পাপ থেকে দূরে রাখে।

৮. তওবা ও ইস্তিগফার: যদি কখনো এই পাপে লিপ্ত হয়ে যান, তবে সঙ্গে সঙ্গে তওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাওয়া এবং দৃঢ় সংকল্প করা যে ভবিষ্যতে এ কাজ করবেন না। আল্লাহ তায়ালা অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু।

৯. ডাক্তারের পরামর্শ: এই অভ্যাসের ফলে যদি কোনো শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়, যেমন প্রোস্টেটের সমস্যা বা দ্রুত বীর্যপাত, তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

১০. ধৈর্য ধারণ করা: মনে রাখতে হবে, এই অভ্যাস থেকে মুক্তি পেতে সময় লাগতে পারে। বারবার চেষ্টা করতে হবে এবং হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধরে এগিয়ে যেতে হবে।

হস্তমৈথুন একটি ক্ষতিকর অভ্যাস যা শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং একজন মুমিনের ঈমানকেও দুর্বল করে। তবে আল্লাহর রহমত অপরিসীম; তিনি বান্দার তওবা কবুল করেন এবং তাকে পবিত্র জীবনযাপনের তাওফিক দান করেন। তাই তরুণ-তরুণীদের উচিত ধৈর্য ও সংযম অবলম্বন করা, আল্লাহর ওপর ভরসা করা এবং নিজেকে সৎ ও গঠনমূলক কাজে ব্যস্ত রাখা। রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর প্রদর্শিত পথ অনুসরণ করলেই দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতা লাভ করা সম্ভব।
হস্তমৈথুন থেকে মুক্তির ব্যবহারিক দিক ও স্বপ্নদোষের স্বাভাবিকতা

প্রতিকার ও চিকিৎসা
আমাদের মনে রাখতে হবে যে, হস্তমৈথুনের অভ্যাসটি কেবল একজন তরুণের অস্বাভাবিক কোনো আচরণ নয়; বরং এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক লক্ষণ বা ব্যাধি, যা সুনির্দিষ্ট কিছু কারণ ও প্ররোচনার ফলেই সৃষ্টি হয়। তাই এর প্রতিকারের ক্ষেত্রে আসক্ত ব্যক্তিকে একজন ‘রুগী’ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। তার এই অসুস্থতা আমাদের কাছে স্পষ্ট হলেও যেসব পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির কারণে সে এই পথে পা বাড়িয়েছে, তা হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের কাছে অজানা। সেটি খুঁজে বের করতে অনেক সময় দীর্ঘ চিকিৎসাবৃত্তান্ত (Medical History) এবং মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণের প্রয়োজন হতে পারে।

হস্তমৈথুনে আসক্ত ব্যক্তির সাথে বিশেষ কোমল আচরণ করতে হবে। তাকে বোঝাতে হবে যে, বর্তমানে সে

« <
/ 351
> »