তুহফাতুল আরূস

« <
/ 351
> »

হলো—তীব্র বা দীর্ঘমেয়াদী প্রোস্টেট গ্রন্থির প্রদাহ, মূত্রনালির চারপাশের গ্রন্থিগুলোর সংক্রমণ এবং শুক্রবাহী নালি ও অণ্ডকোষের প্রদাহ। যদি অণ্ডকোষের উভয় পাশে এই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে, তবে পুরুষ চিরতরে বন্ধ্যা হয়ে যেতে পারে। নারীদের ক্ষেত্রে এটি জরায়ুমুখ ও ফ্যালোপিয়ান টিউবে দীর্ঘমেয়াদী প্রদাহ সৃষ্টি করে, এমনকি তলপেটের ভেতরে পেরিটোনিয়াম ও ডিম্বাশয়েও সংক্রমণ ছড়াতে পারে। এছাড়া পুরুষদের ক্ষেত্রে গনোরিয়ার অন্যতম ভয়াবহ জটিলতা হলো মূত্রনালি সরু হয়ে যাওয়া (Urethral Stricture)। নারী-পুরুষ উভয়েরই হাড়ের জোড়ায় দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, চোখের প্রদাহ এবং ত্বকের দীর্ঘমেয়াদী ফুসকুড়ি দেখা দিতে পারে।

আক্রান্ত মায়ের মাধ্যমে জন্মের সময় নবজাতক শিশুর চোখেও গনোরিয়া সংক্রমিত হতে পারে। সময়মতো এই রোগের চিকিৎসা করা না হলে শিশুটি চিরতরে অন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।

হস্তমৈথুনের চিকিৎসা ও প্রতিকার
হস্তমৈথুনের অভ্যাস থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য প্রথমেই প্রয়োজন দৃঢ় মানসিক সংকল্প এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা। যেহেতু এই অভ্যাসের মূল কারণ হলো অবদমিত যৌনতা ও মানসিক অস্থিরতা, তাই এর প্রতিকারও হতে হবে বহুমুখী। নিম্নে কিছু কার্যকরী পদ্ধতি উল্লেখ করা হলো:

১. বিবাহের পথে এগিয়ে যাওয়া: যদি আর্থিক ও সামাজিকভাবে সামর্থ্য থাকে, তবে দ্রুত বিবাহের ব্যবস্থা করা সবচেয়ে উত্তম সমাধান। রাসূলুল্লাহ (সা.) যুবকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, “হে যুবসমাজ! তোমাদের মধ্যে যে বিবাহের সামর্থ্য রাখে, সে যেন বিবাহ করে। নিশ্চয়ই এটি দৃষ্টি সংযতকারী ও লজ্জাস্থানের হেফাজতকারী।” [সহীহ বুখারী]

২. রোজা রাখা: যারা বিবাহের সামর্থ্য রাখে না, তাদের জন্য রোজা রাখা একটি কার্যকরী উপায়। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “আর যে ব্যক্তি বিবাহের সামর্থ্য রাখে না, সে যেন রোজা রাখে; কারণ এটি তার জন্য যৌনতা নিবারক।” [সহীহ বুখারী]

৩. দৃষ্টি সংযত করা: কুরআনে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন, “মুমিনদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে।” [সূরাহ আন-নূর: ৩০]। যেকোনো উত্তেজক দৃশ্য, ছবি বা ভিডিও থেকে দূরে থাকা জরুরি।

৪. গঠনমূলক কাজে ব্যস্ত থাকা: সময়কে কাজে লাগানো এবং নিজেকে সবসময় গঠনমূলক কাজে ব্যস্ত রাখা এই অভ্যাস থেকে মুক্তির একটি কার্যকর পদ্ধতি। পড়াশোনা, খেলাধুলা, সমাজসেবা, লেখালেখি প্রভৃতি কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখা।

৫. খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণ: মসলাযুক্ত ও উত্তেজক খাবার পরিহার করা এবং সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা। বিশেষ করে মাংস ও মাছের পরিমাণ

« <
/ 351
> »