উপায় হলো—অবৈধ যৌন সম্পর্ক থেকে দূরে থাকা এবং ইসলামের দেয়া সীমারেখার মধ্যে থাকা। আল্লাহ তাআলা বলেন: “আর তোমরা ব্যভিচারের কাছেও যেয়ো না; নিশ্চয়ই এটি একটি অশ্লীল কাজ এবং অত্যন্ত মন্দ পথ।” [সূরাহ আল-ইসরা: ৩২]
এছাড়া বিয়ের আগে পাত্র-পাত্রীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো, বহুগামিতা পরিহার করা এবং সবসময় নিরাপদ ও সুরক্ষিত উপায়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করাও জরুরি। তবে ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে বিবাহের বাইরে যেকোনো যৌন সম্পর্ক সম্পূর্ণ হারাম, তাই বিবাহকেই একমাত্র বৈধ ও নিরাপদ পথ হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
চিকিৎসকদের পরামর্শ:
১. যৌনরোগের কোনো লক্ষণ দেখা দিলে অবিলম্বে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। লজ্জা বা সংকোচ বোধ করে চিকিৎসা বিলম্ব করবেন না।
২. চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে কোনো ওষুধ সেবন করবেন না।
৩. চিকিৎসা চলাকালীন যৌন সম্পর্ক থেকে বিরত থাকুন এবং চিকিৎসা শেষ হওয়ার পরও ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত বিরত থাকুন।
৪. আপনার রোগ সম্পর্কে আপনার স্ত্রী/স্বামীকে অবহিত করুন এবং তাঁরও চিকিৎসা নিশ্চিত করুন।
৫. মনে রাখবেন, যৌনরোগ থেকে বাঁচার সর্বোত্তম উপায় হলো—বিবাহের আগে পবিত্রতা রক্ষা করা এবং বিবাহের পর একনিষ্ঠ থাকা।
প্রশ্নকারিণীর প্রতি চিকিৎসকদের শেষ কথা:
জয়নাব, তুমি এবং তোমার মত অসংখ্য তরুণ-তরুণী যদি এই পরামর্শগুলো মেনে চল এবং নিজেদের জীবনকে ইসলামের নির্দেশিত পথে পরিচালিত কর, তবে তোমরা শুধু শারীরিকভাবে সুস্থই থাকবে না, বরং মানসিক ও আধ্যাত্মিকভাবেও সুস্থ ও সমৃদ্ধ হবে। মনে রেখো, যৌনতা জীবনের একটি অংশ মাত্র, পুরো জীবন নয়। তাই এটাকে তার সঠিক ও বৈধ পথে চ্যানেলাইজ করাই আমাদের দায়িত্ব। আল্লাহ তাআলা সবাইকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করুন।
সিফিলিসের তৃতীয় স্তর ও জটিলতা
প্রায় দুই মাস অতিবাহিত হওয়ার পর প্রথম স্তরের ক্ষত ও দ্বিতীয় স্তরের র্যাশের উপসর্গগুলো রহস্যজনকভাবে মিলিয়ে যায়। আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় যেন যুদ্ধ শেষ হয়েছে এবং রোগী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবতা অত্যন্ত ভয়ানক; কারণ সিফিলিসের জীবাণুগুলো তখন শরীরের গভীরে স্থায়ী আস্তানা গেড়েছে এবং একে একে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো ধ্বংস করার নীল নকশা তৈরি করছে।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই পর্যায়কে বলা হয় ‘সুপ্ত সিফিলিস’ (Latent Syphilis)। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে এই সুপ্ত অবস্থা দুই বছর বা তার চেয়েও বেশি সময়
