বিশেষ করে লেটুস পাতা ও আপেল যৌন উত্তেজনা প্রশমনে সহায়ক।
প্রশ্নকারিণী: ধন্যবাদ ডাক্তার সাহেব। আমাদের এত দীর্ঘ আলোচনা ও প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য। আপনার দেওয়া তথ্যগুলো নিশ্চয়ই তরুণ-তরুণীদের দাম্পত্য জীবন ও নৈতিকতা রক্ষায় সহায়ক হবে।
ডাক্তার: জয়নাব, তোমাকে ধন্যবাদ এত স্পষ্ট ও প্রাসঙ্গিক প্রশ্ন করার জন্য। আমি আশা করি, এই আলোচনা সবার জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। মনে রাখবে, যৌনতা জীবনের একটি অংশ, পুরো জীবন নয়। তাই এটাকে তার সঠিক ও বৈধ পথে চ্যানেলাইজ করা আমাদের দায়িত্ব। আল্লাহ তাআলা সবাইকে সঠিক পথে চলার তাওফিক দান করুন।
তৃতীয় স্তর: যদি দ্বিতীয় স্তরেও রোগীর চিকিৎসা না হয়, তবে রোগটি তৃতীয় স্তরে প্রবেশ করে। এই স্তরে রোগীর শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, হাড় ও স্নায়ুতন্ত্র আক্রান্ত হয়। তৃতীয় স্তরের সিফিলিসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ‘গামা’ (Gumma) নামক এক ধরনের টিউমার সৃষ্টি হওয়া। এটি সাধারণত ত্বক, হাড়, যকৃৎ ও অণ্ডকোষে দেখা দেয়। এছাড়া হৃদরোগ, পক্ষাঘাত, মানসিক ভারসাম্যহীনতা, অন্ধত্ব প্রভৃতি জটিলতা দেখা দিতে পারে। একবার তৃতীয় স্তরে পৌঁছে গেলে রোগী সম্পূর্ণ আরোগ্য লাভের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে আসে।
সিফিলিসের চিকিৎসা:
সিফিলিসের চিকিৎসা এখনও পেনিসিলিনের ওপর নির্ভরশীল। প্রাথমিক ও দ্বিতীয় স্তরে পেনিসিলিনের একটি ইনজেকশনই যথেষ্ট। তবে তৃতীয় স্তরে পৌঁছে গেলে দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার প্রয়োজন হয়। মনে রাখতে হবে, পেনিসিলিন শুধু সিফিলিসের জীবাণু ধ্বংস করে; ইতিমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি পুনরুদ্ধার করে না।
গনোরিয়া (Gonorrhea):
গনোরিয়া আরেকটি মারাত্মক যৌনরোগ। এটি ‘নাইসেরিয়া গনোরিয়া’ (Neisseria gonorrhoeae) নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংঘটিত হয়। পুরুষদের ক্ষেত্রে এই রোগের লক্ষণ খুব স্পষ্ট—প্রস্রাবের সময় তীব্র জ্বালা ও যন্ত্রণা এবং লিঙ্গ থেকে পুঁজ ও রক্ত মিশ্রিত স্রাব নির্গত হয়। কিন্তু নারীদের ক্ষেত্রে এই রোগের লক্ষণ অনেক সময় প্রকাশ পায় না, ফলে তারা অজান্তেই রোগের বাহক হয়ে থাকে এবং অন্যদের সংক্রমিত করে।
গনোরিয়ার জটিলতার মধ্যে রয়েছে—পুরুষদের ক্ষেত্রে অণ্ডকোষের প্রদাহ ও বন্ধ্যাত্ব, এবং নারীদের ক্ষেত্রে পেলভিক ইনফ্ল্যামেটরি ডিজিজ (PID) ও বন্ধ্যাত্ব। এছাড়া এটি জয়েন্ট ও হার্টকেও আক্রান্ত করতে পারে।
গনোরিয়ার চিকিৎসা:
পূর্বে পেনিসিলিন দিয়ে গনোরিয়ার সফল চিকিৎসা করা গেলেও বর্তমানে পেনিসিলিন-প্রতিরোধী গনোরিয়া জীবাণুর আবির্ভাব ঘটেছে। তাই এখন সেফট্রিয়াক্সোন (Ceftriaxone) এবং অ্যাজিথ্রোমাইসিন (Azithromycin) এর সংমিশ্রণে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
প্রতিরোধের উপায়:
যৌনরোগ প্রতিরোধের একমাত্র
