(Predatory Wives) প্রবন্ধটি পড়ুন। তখন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে করতে আপনার ক্লান্তি আসবে না। সেখানে দেখবেন—
কোনো পতঙ্গ-বধূ বাসর রাতেই তার বরের ঘাড় মটকে সাবাড় করে দিচ্ছে! কেউ স্বামী হিসেবে তার দায়িত্ব পালন শেষ করা মাত্রই বরের পেট চিরে নাড়িভুঁড়ি খেয়ে ফেলছে! কোনো স্ত্রী তার স্বামীকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধে রাখছে যাতে মিলনের পর সে পালাতে না পারে, কারণ স্বামীটিই হবে স্ত্রীর রাতের উপাদেয় ভোজ! আবার কোনো পতঙ্গ মিলনের পর স্বামীর জননেন্দ্রিয় নিজের শরীরের অংশ বানিয়ে নিচ্ছে এবং বাকি জীবন আর কোনো পুরুষের মুখাপেক্ষী হচ্ছে না!
মানুষের কল্পনার চেয়েও বিচিত্র ও ভয়ঙ্কর এই পতঙ্গরাজ্যের নিয়ম। এ সবই মহান আল্লাহর এক বিশেষ প্রজ্ঞা, যাতে এই পতঙ্গদের সংখ্যাধিক্যে পৃথিবী বসবাসের অযোগ্য না হয়ে পড়ে।
উপসংহার
স্ত্রীর অবাধ্যতা (নুশুজ) ও সংশোধনের ক্রমধারা
পূর্ববর্তী আলোচনায় আমরা নারীর শারীরবৃত্তীয় অবস্থা এবং তার আচরণে এর প্রভাব সম্পর্কে জেনেছি। এবার আমরা স্ত্রীর অবাধ্যতা (নুশুজ) এবং ইসলামে তার সংশোধনের ক্রমধারা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা এই বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“আর যাদের মধ্যে অবাধ্যতার আশঙ্কা করো, তাদের সদুপদেশ দাও, তারপর তাদের শয্যা ত্যাগ করো এবং তাদের প্রহার করো। যদি তারা তোমাদের অনুগত হয়, তবে তাদের বিরুদ্ধে অন্য কোনো পথ খুঁজো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সমুন্নত ও মহান।” [সূরাহ আন-নিসা: ৩৪]
এই আয়াতে অবাধ্য স্ত্রীকে সংশোধনের একটি ধারাবাহিক পদ্ধতির প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে। স্বামী প্রথমে তাকে সদুপদেশ দেবেন, আল্লাহর বিধান স্মরণ করিয়ে দেবেন এবং অনুগতদের জন্য পুরস্কার ও অবাধ্যদের জন্য পরকালের শাস্তির কথা বুঝিয়ে বলবেন। এতে কাজ না হলে স্বামী শয্যা বর্জনের মাধ্যমে তাকে শাসন করবেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে বিছানা আলাদা করে অন্য কোথাও ঘুমানো; বরং একই বিছানায় থেকে স্ত্রীকে পিঠ দিয়ে বা আলাদা পাশে শুয়ে নিজের অনাগ্রহ প্রকাশ করবেন। এটি হবে নারীর রূপ-সৌন্দর্যের অহংকারের বিরুদ্ধে স্বামীর এক নীরব প্রতিবাদ—যা স্ত্রীর জেদ ও দম্ভকে চূর্ণ করতে সহায়ক হয়। যদি এতেও সংশোধন না হয়, তবে পরিবারের বৃহত্তর স্বার্থে মৃদু প্রহারের আশ্রয় নেওয়া যেতে পারে। হাদীসে এই প্রহারের স্বরূপ ব্যাখ্যা করা হয়েছে। মনে রাখতে হবে, এই দণ্ডগুলো একসাথে প্রয়োগ করা যাবে না, বরং অবশ্যই পর্যায়ক্রমিক
