তুহফাতুল আরূস

« <
/ 351
> »

করা হয়েছে। [সূরাহ আল-মায়িদা: ৫৪]

প্রশংসনীয় আত্মমর্যাদাবোধের একটি লক্ষণ হলো—মুমিন তার প্রিয়তম মাবুদ আল্লাহর সাথে একান্তে কথা বলার সময় (সালাতে) মাঝখানে কাউকে সহ্য করতে পারে না। একারণেই রাসূলুল্লাহ (সা.) সালাতরত ব্যক্তির সামনে দিয়ে যাতায়াতকারীকে বাধা দিতে এমনকি প্রয়োজনে প্রতিহত করতে বলেছেন। কারণ যখন কোনো মুমিন একাগ্রচিত্তে আল্লাহর সামনে দাঁড়ায়, তখন মাঝখান দিয়ে কারো হেঁটে যাওয়া মানে হলো প্রেমাস্পদ ও প্রেমিকের মাঝে কোনো অপ্রিয় ব্যক্তির অনুপ্রবেশ। এই অনুভূতির স্বাদ কেবল তারাই পায় যারা সালাতে আল্লাহর সান্নিধ্য অনুভব করতে পারে। [রওদাতুল মুহিব্বীন]

নারীদের ঈর্ষার কিছু ঘটনা

নারীদের অদ্ভুত ঈর্ষার একটি ঘটনা ইবনুল ফজল আল-হাশেমী বর্ণনা করেছেন— “আমার এক দাসী ছিল যাকে আমি খুব ভালোবাসতাম। কিন্তু আমার চাচাতো ভাইয়ের মেয়ের (স্ত্রীর) ভয়ে আমি সে কথা প্রকাশ করতে পারতাম না। এক রাতে বিছানায় শুয়ে আমার সেই দাসীর কথা মনে পড়ল। আমি তাকে দেখার জন্য বিছানা থেকে নামার সময় একটি বিচ্ছু আমায় কামড় দিল। আমি ব্যথায় চিৎকার করতে করতে বিছানায় ফিরে এলাম। স্ত্রী জেগে উঠে জিজ্ঞেস করল কী হয়েছে, আমি বললাম বিচ্ছু কামড়েছে। সে অবাক হয়ে বলল— ‘বিছানার ওপর বিচ্ছু এল কোত্থেকে?’ আমি আমতা আমতা করলে সে বলল— ‘সত্যি বলো কী হয়েছে’। আমি তাকে সব খুলে বললাম (যে আমি নিচে নামতে গিয়েছিলাম)। সে তখন হেসে উঠে এই পঙক্তিটি আবৃত্তি করল:

“সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে আমার এই ঘরে,
তখন এক বিচ্ছু জেগে থাকে অতন্দ্র প্রহরী হয়ে।
যখনই কেউ সুযোগ খোঁজে নিষিদ্ধ কোনো কামনায়,
বিচ্ছুটি তখন দংশন করে সাজা দেয় অপকর্মে!”

অতঃপর সে তার দাসীদের ডেকে বলল— ‘আমি তোমাদের নির্দেশ দিচ্ছি, এই বছর তোমরা কেউ কোনো বিচ্ছু মারবে না!’”

নারীদের তীব্র ঈর্ষার আরেকটি ঘটনা— এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর পাশে শুয়ে ছিল। স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়লে সে উঠে গিয়ে নিজের এক দাসীর সাথে মিলিত হলো। স্ত্রী হঠাৎ জেগে স্বামীকে না পেয়ে বাইরে এসে দেখল স্বামী দাসীর সাথে লিপ্ত। সে দ্রুত ঘরে ফিরে একটি ছুরি নিয়ে এল। স্বামী বিপদ টের পেয়ে তৎক্ষণাৎ সরে এল এবং স্ত্রীর হাতে ছুরি দেখে জিজ্ঞেস করল— “কী হয়েছে?” স্ত্রী রাগে ফেটে পড়ে বলল— “কী হয়েছে মানে? আমি তোমাকে হাতেনাতে ধরেছি, এখন এই ছুরি দিয়ে তোমাদের

« <
/ 351
> »