শীতল হওয়ার আগে সেখানে বসতে নিষেধ করতেন (যাতে সেই নারীর শরীরের উত্তাপ অনুভূত না হয়)।
হাদীসে এশার নামাজের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে কারণ অন্ধকারের কারণে রাতের বেলা ফেতনার আশঙ্কা অনেক বেশি থাকে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, দিনের বেলা বা অন্য সময়ে সুগন্ধি মেখে বের হওয়া জায়েজ।
একটি শিক্ষণীয় গবেষণা
সুগন্ধি মেখে নারীর বাইরে বের হওয়ার ঝুঁকি নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে এখানে ‘আল-হিলাল’ (নিসাউন মুফতারিসাত, পৃ. ৯৬-৯৭) গ্রন্থ থেকে কৌতূহলোদ্দীপক ও শিক্ষণীয় একটি গবেষণার সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হলো:
“আপনারা কি জানেন, যখন একটি মাদী কুকুর মিলনের ইচ্ছা করে, তখন তার চারপাশে পুরুষ কুকুরদের ভিড় জমার রহস্য কী? দীর্ঘকাল আগে এক বিজ্ঞানীকে এই প্রশ্নটি ভাবিয়ে তুলেছিল। তখন ধারণা করা হতো যে, প্রজনন ঋতুতে মাদী কুকুর এমন এক বিশেষ ঘ্রাণ ছাড়ে যা দূর-দূরান্ত থেকে পুরুষ কুকুরদের আকর্ষণ করে। কোনো পুরুষ কুকুর যৌনচিন্তা করতে পারে না যতক্ষণ না সেই জাদুকরী ঘ্রাণ তার নাকে পৌঁছায়। ঘ্রাণ পাওয়া মাত্রই তার ভেতরকার প্রবৃত্তি জেগে ওঠে এবং সে সেই মাদী কুকুরটিকে খুঁজতে শুরু করে।
সেই বিজ্ঞানী সত্যটি অনুসন্ধানের জন্য পুরুষ কুকুরকে উত্তেজিত করে এমন সেই পদার্থটি (ঘ্রাণ) সংগ্রহ করলেন। একদিন ল্যাবরেটরি থেকে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফেরার সময় তাঁর কাপড়ে সেই ঘ্রাণের কিছুটা লেগে ছিল। অমনি দেখা গেল, এলাকার সব কুকুর এক শান্ত অথচ উত্তেজিত মিছিলের মতো তাঁর পিছু নিয়েছে! মানুষ এই দৃশ্য দেখে অবাক হলেও কারণটি বুঝতে পারেনি। আসলে সেই ঘ্রাণটি ছিল যেন বাতাসের ডানায় ভর করে এলাকার সব কুকুরের কাছে পাঠানো এক গোপন ‘আমন্ত্রণপত্র’। ঘ্রাণটি যখনই নাকের মাধ্যমে ঘ্রাণতন্ত্রে পৌঁছায়, সেখান থেকে তা মস্তিষ্কে এবং মস্তিষ্ক থেকে যৌনগ্রন্থিতে সংকেত পাঠায়; ফলে পুরুষ কুকুরটি কামোত্তেজিত হয়ে পড়ে এবং কুকুরের পালের মাঝে শুরু হয় তুমুল লড়াই! একটি মাদী কুকুর এভাবেই তার খেলা দেখায়, যার নেপথ্যে কাজ করে এক সুগভীর জৈবিক রহস্য।”
কাফেরদের সাদৃশ্য অবলম্বনের নিষেধাজ্ঞা
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা মুসলিমদেরকে কাফেরদের পথ অনুসরণ করতে নিষেধ করেছেন এবং তাদের সাদৃশ্য অবলম্বন থেকে সতর্ক করেছেন। তিনি মূসা ও হারুন (আ.)-কে সম্বোধন করে বলেন:
“সুতরাং তোমরা উভয়ে দৃঢ় থাকো এবং যারা জানে না তাদের পথ অনুসরণ করো না।” [সূরাহ ইউনুস:
