কাটতি বাড়ে, ক্রেতার ভিড় জমে এবং লোলুপ ক্ষুধার্তরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে।”
পুরুষের বেশ ধারণে নারীর নিষেধাজ্ঞা
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা নারী-পুরুষের পারস্পরিক আকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে বলেন—
“আল্লাহ তোমাদের একে অপরের ওপর যে শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন, তোমরা তার আকাঙ্ক্ষা করো না। পুরুষ যা অর্জন করে তা তার প্রাপ্য অংশ, আর নারী যা অর্জন করে তা তার প্রাপ্য অংশ। তোমরা আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্ববিষয়ে সম্যক অবগত।” [সূরাহ আন-নিসা: ৩২]
এই আয়াত নাজিল হওয়ার প্রেক্ষাপট সম্পর্কে মুজাহিদ (রহ.) বর্ণনা করেন— উম্মু সালামাহ (রা.) আরজ করেছিলেন, “হে আল্লাহর রাসূল! পুরুষেরা জিহাদ করে কিন্তু আমরা পারি না, আবার আমরা মিরাসের অর্ধেক অংশ পাই (এর কারণ কী?)।” তখন এই আয়াত নাজিল হয়। [হাকেম ও যাহাবী একে সহীহ বলেছেন]। ইকরিমাহ (রহ.)-এর মতে, নারীরা যখন আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করে বললেন, “হায়! আল্লাহ যদি আমাদের জন্যও জিহাদ ফরজ করতেন তবে আমরাও পুরুষদের মতো সওয়াব অর্জন করতে পারতাম”—তখন এই আয়াত নাজিল হয়।
আয়াতের মর্মার্থ হলো— নেক কাজে নারী পুরুষের মতোই সওয়াব পাবে এবং মন্দ কাজে পুরুষের মতোই গুনাহগার হবে; নিজ নিজ বৈশিষ্ট্য ও ক্ষেত্র ছাড়া কারো ওপর কারো শ্রেষ্ঠত্ব নেই। সুতরাং নারীদের পুরুষ হওয়ার বা পুরুষদের মতো হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করা অনুচিত। সওয়াব অর্জনের পথ প্রত্যেকের জন্যই উন্মুক্ত, প্রত্যেকে নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে তা অর্জন করতে পারে। তাই নারীদের গৃহস্থালি ও প্রাকৃতিক দায়িত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার কোনো প্রয়োজন নেই। আল্লাহ তাআলা অন্যত্র বলেন— “অতঃপর তাদের পালনকর্তা তাদের ডাকে সাড়া দিলেন যে, আমি তোমাদের মধ্যে কোনো কর্মকারীর কাজ নষ্ট করি না—সে পুরুষ হোক বা নারী, তোমরা একে অপরের অংশ।” [সূরাহ আলে ইমরান: ১৯৫]
রাসূলুল্লাহ (সা.) এ বিষয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন— “রাসূলুল্লাহ (সা.) অভিশাপ দিয়েছেন ওই সব পুরুষকে যারা নারীর বেশ ধারণ করে এবং ওই সব নারীকে যারা পুরুষের বেশ ধারণ করে।” [সহীহ বুখারী ও অন্যান্য]
হে নারী! সুগন্ধি মেখে রাস্তায় বের হওয়া থেকে সাবধান
ইসলাম নারী-পুরুষের সম্পর্কের ক্ষেত্রে পর্দা ও শালীনতার যেমন গুরুত্ব দিয়েছে, তেমনি সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) এ বিষয়ে অত্যন্ত স্পষ্টভাষায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।
হাদীসের বর্ণনা
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন: “যেকোনো নারী
