তুহফাতুল আরূস

« <
/ 351
> »

ফাঁদ পেতে রাখে, সেও সমান অপরাধী! নারীর উচিত পুরুষের চরিত্রের জামিনদার হওয়া, তার ধ্বংসের কারণ হওয়া নয়। নারী যেভাবে পুরুষের কাছ থেকে সুরক্ষা চায়, সে নিজেও পুরুষকে (ফেতনা থেকে) রক্ষা করতে পারে। কোনো তরুণী যদি তার শক্তির জায়গাটি বুঝতে পারে এবং মার্জিত ও বিনয়ী জীবন যাপন করে, তবে সে অনায়াসেই পুরুষকে যেকোনো কলুষিত চিন্তা থেকে দূরে রাখতে পারে!”

বেপর্দা চলাফেরার এক ভয়াবহ স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি হলো নারীর বন্ধ্যত্ব। সম্প্রতি বুলগেরিয়ার রাজধানী সোফিয়ায় আমার এক ছাত্রের সাথে দেখা হলো, যে এক বুলগেরীয় নারী ডাক্তারকে বিয়ে করেছে। আমি সবার সামনে তাকে তার সন্তানদের কথা জিজ্ঞেস করলে সে বলল— “আমার স্ত্রী এখন বন্ধ্যা; কারণ সে ‘মিনিস্কার্ট’ পরিধান করত, যার ফলে শীতের প্রকোপে তার জরায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” আমি এই সুযোগে অন্যান্য নারীদের এই তথাকথিত আধুনিক ফ্যাশন সম্পর্কে সতর্ক করে দিলাম।

অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা পর্দার বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়ে বলেন:
“আর মুমিন নারীদের বলো, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রদর্শন না করে—তবে যা সাধারণত প্রকাশ পেয়ে যায় তা ছাড়া। আর তারা যেন তাদের মাথার ওড়না দিয়ে বক্ষদেশ আবৃত করে রাখে। তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভাই, ভ্রাতুষ্পুত্র, ভগিনীপুত্র, আপন নারীগণ, অধিকারভুক্ত দাসী, কামনামুক্ত পুরুষ পরিচারক এবং ওই সব শিশু—যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ছাড়া অন্য কারো কাছে নিজেদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে। তারা যেন তাদের পা সজোরে নিক্ষেপ না করে, যাতে তাদের গোপন সাজসজ্জা প্রকাশ পেয়ে যায়। হে মুমিনগণ! তোমরা সকলে আল্লাহর কাছে তওবা করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।” [সূরাহ আন-নূর: ৩১]

এখানে পা সজোরে ফেলার বিষয়ে মাওলানা মওদূদী (রহ.) তাঁর ‘হিজাব’ গ্রন্থে বলেন— “কখনো হয়তো মুখ চুপ থাকে, কিন্তু তার পরিবর্তে এমন সব অঙ্গভঙ্গি বা নড়াচড়া প্রকাশ পায় যার শব্দ অন্যের কানে প্রভাব ফেলে। এটিও মূলত মনের খলতা বা কুমন্ত্রণা। ইসলাম একে নিষিদ্ধ করে বলছে— {তারা যেন তাদের পা সজোরে নিক্ষেপ না করে যাতে তাদের গোপন সাজসজ্জা প্রকাশ পেয়ে যায়।}”
নবী-পত্নীদের উদ্দেশ্যে বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে আল্লাহ তাআলা আরও বলেন:
“হে নবী-পত্নীগণ! তোমরা অন্য সাধারণ নারীদের মতো নও; যদি

« <
/ 351
> »