তুহফাতুল আরূস

« <
/ 351
> »

তিনিই সুখের উৎস। তিনি যেমন উচ্চাকাঙ্ক্ষায় উদ্বুদ্ধ করেন, তেমনি আলস্যের শিকলে হাত-পা বেঁধেও রাখতে পারেন।
নারী—একই সাথে সরল ও জটিল এক সত্তা। তিনি কখনো জাদু ও আনন্দের এক অপূর্ব ঝিরঝিরে বাতাস, আবার কখনো পাপ ও পঙ্কিলতার চরম অন্ধকার কিংবা বিষাক্ত লু-হাওয়ার প্রচণ্ড দাপট। তাঁর এই ক্ষীণ ও নমনীয় দেহের মাঝেই লুকিয়ে আছে মোহ ও পাপাচারের প্রবলতম শক্তি, আবার এই একই দেহে সুপ্ত থাকে পুণ্য, পবিত্রতা আর সৌন্দর্যের শ্রেষ্ঠতম আধার! নারীর সেই ছোট্ট মাথায় যেমন একদিকে থাকে বিদ্রোহ আর দাবানল, অন্যদিকে থাকে পরম শান্তি ও নীরবতা। সেখানে যেমন চরম উন্মাদনা থাকতে পারে, তেমনি থাকতে পারে প্রদীপ্ত জ্ঞান ও প্রজ্ঞা!
এই কারণেই এবং নারীর প্রভাবের গভীরতা বিবেচনা করেই রাসূলুল্লাহ (সা.) অন্য সবকিছুর ওপর দ্বীনদার নারীকে প্রাধান্য দেওয়ার ওসিয়ত করেছেন। দ্বীনদারীকে প্রাধান্য দেওয়া ও এ বিষয়ে সচেষ্ট থাকার অর্থ হলো—ইসলাম চায় একটি পরিবারের স্থায়িত্ব ও মানসিক প্রশান্তি। কেননা দ্বীনহীন স্ত্রী তার স্বামী ও সন্তানদের জন্য এক বিরাট আপদ। এমন নারী বিপদে ধৈর্য ধরতে পারে না, দুর্যোগে অটল থাকতে পারে না এবং জীবনেও সুখী হতে পারে না।
কেবল তাঁর নারীত্ব, রূপ-লাবণ্য, সম্পদ বা বংশমর্যাদা তাঁকে বা তাঁর পরিবারকে সুখী করতে পারবে না। বরং এই গুণগুলো তখনই সার্থকতা পায়, যখন তা দ্বীনদারীর সাথে মিশে একটি সুস্বাদু ফল, প্রশস্ত রহমত, উপকারী সম্পদ এবং জীবনের শ্রেষ্ঠ পাথেয় হিসেবে আবির্ভূত হয়। এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেন—”সমগ্র দুনিয়াই হলো সম্পদ বা ভোগের বস্তু; আর দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ সম্পদ হলো নেককার নারী।” [সহীহ মুসলিম ও নাসায়ী]
উপসংহার

পুরুষকেই খুঁজে দেখো: একটি পশ্চিমা নারীর স্বীকারোক্তি ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি
পূর্ববর্তী আলোচনায় আমরা নারী ও পুরুষের ভূমিকা এবং তাদের পারস্পরিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করেছি। এবার আমরা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও চিন্তা-উদ্রেককারী বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। ফরাসি তরুণী লেখিকা ফ্রাঁসোয়া বার্তুরবিয়ে তাঁর ‘লেটারস টু মেন’ (পুরুষদের প্রতি নতুন পত্রাবলি) নামক গ্রন্থে সমসাময়িক সমাজে এক গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন। তিনি কেবল নিজ স্বজাতীয় নারীদের একজন উৎসাহী সমর্থকই নন, বরং একজন নির্ভীক সমাজ গবেষক—যিনি কোনো প্রকার ছদ্মবেশ ছাড়াই সত্যকে নগ্নভাবে প্রকাশ করেছেন। ‘তাবিবুক’ (আপনার চিকিৎসক) ম্যাগাজিনের ১৮২তম সংখ্যায় তাঁর সম্পর্কে এমনটিই বলা হয়েছে।
তিনি তাঁর পুরুষ

« <
/ 351
> »