অল্পবয়সী মেয়েকে জীবনসঙ্গিনী হিসেবে চায়। পূর্ণাঙ্গ তৃপ্তি কেবল সমবয়সী বা প্রাপ্তবয়স্কদের মাধ্যমেই সম্ভব। মেয়েটি যদি শারীরিক ও মানসিকভাবে পূর্ণতা না পায়, তবে দাম্পত্য জীবনে পরিপূর্ণ সুখ আসে না। আবার সে যখন পূর্ণ যুবতী হবে, তখন তার চাহিদা থাকবে প্রবল, কিন্তু বৃদ্ধ স্বামী তা পূরণে অক্ষম হবে। স্বামী যদি নিজেকে নিংড়ে দিয়ে তাকে সন্তুষ্ট করতে চায়, তবে সে দ্রুত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়বে।
বৃদ্ধদের নিজের সাময়িক উত্তেজনা দেখে বিভ্রান্ত হওয়া উচিত নয়; কারণ এটি অনেক সময় ‘মিথ্যা ভোরের’ (ফজর-এ-কাযিব) মতো প্রতারণাপূর্ণ হয়। মানুষের জীবনীশক্তি রক্ত ও বীর্যের ওপর টিকে থাকে; যখন এগুলোর অপচয় হয় অথচ তা পূরণের সক্ষমতা থাকে না, তখন মানুষ ধ্বংস হয়ে যায়। অন্যদিকে, স্ত্রীর শারীরিক চাহিদা অপূর্ণ থাকলে তার মনে ক্ষোভ জন্মাতে পারে, যা তাকে পাপের পথে ঠেলে দিতে পারে কিংবা স্বামীর জীবননাশের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত করতে পারে। বৃদ্ধ যদি কেবল সঙ্গ উপভোগ করেই তৃপ্ত থাকে, তবে সেই তরুণী স্ত্রী তৃপ্ত হয় না, ফলে সে স্বামীর শত্রুতে পরিণত হয়।
বিশর (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, “আপনি কেন বিয়ে করেননি?” তিনি বলেছিলেন, “আমি কোনো মুসলিম নারীকে কেন প্রতারিত করব? অথচ মহান আল্লাহ বলেছেন— নারীদের তেমনি ন্যায়সংগত অধিকার রয়েছে যেমন রয়েছে পুরুষদের।” সুতরাং সারকথা হলো, দৃষ্টি সংযত রাখা এবং অসম্ভবের পেছনে না ছুটে যা আছে তাতেই তুষ্ট থাকা। বিশেষ করে যাদের বয়স অনেক হয়েছে, তাদের বোঝা উচিত যে এক অল্পবয়সী তরুণী তার জন্য বন্ধুর চেয়ে শত্রুই বেশি হতে পারে, যে মনে মনে তার মৃত্যু কামনা করবে। একজন বুদ্ধিমান মানুষের জন্য এই বিপদগুলো থেকে দূরে থাকাই সমীচীন।
বিয়েতে ওলী (অভিভাবকের) আবশ্যকতা
পারিবারিক বন্ধন মজবুত করা এবং নারীর মর্যাদা রক্ষার জন্য ইসলাম বিয়েতে অভিভাবকের উপস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়েছে। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন:
“আর তোমাদের মধ্যে যারা অবিবাহিত (নারী-পুরুষ), তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করো এবং তোমাদের সৎকর্মশীল দাস-দাসীদেরও।” [সূরাহ আন-নূর: ৩২]
মুফাসসিরগণ এই আয়াত থেকে প্রমাণ করেছেন যে, নারী অভিভাবক ছাড়া নিজে নিজে বিয়ে করতে পারে না। কারণ, এই আয়াতে নির্দেশটি সরাসরি অভিভাবক ও মনিবদের দেওয়া হয়েছে। এই অভিভাবকত্ব নাবালিকা এবং প্রাপ্তবয়স্ক নারী উভয়ের ক্ষেত্রেই সমানভাবে প্রযোজ্য। এ প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কঠোর নির্দেশনা রয়েছে:
“ওলী ছাড়া কোনো
