মুখে?’
সেই রূপ-সুধা পান করে আঁখি হবে এক মাতাল সম,
পূর্ণিমা চাঁদ হার মেনে যায় হেরি রূপ অনুপম।”
স্বামীর আনুগত্যের পুরস্কার
দাম্পত্য জীবনে স্বামীর আনুগত্যের গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলাম নারীদের জন্য স্বামীর আনুগত্যকে জান্নাত লাভের অন্যতম পথ হিসেবে নির্ধারণ করেছে। নিম্নোক্ত হাদীসগুলো এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “নারী যখন তার পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ঠিকমতো পড়ে, রমজানের রোজা রাখে, নিজের সতীত্ব রক্ষা করে এবং স্বামীর আনুগত্য করে—তখন তাকে বলা হবে: জান্নাতের যে কোনো দরজা দিয়ে ইচ্ছা তুমি প্রবেশ করো।” [হিলয়াতুল আউলিয়া; হাদীসটি হাসান ও সহীহ স্তরের]
এটি অত্যন্ত সুসংবাদপূর্ণ একটি হাদীস। একজন নারীর জন্য চারটি বিষয়কে জান্নাতে প্রবেশের চাবিকাঠি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। লক্ষণীয় যে, এখানে ইমানের মৌলিক বিষয়গুলোর পাশাপাশি স্বামীর আনুগত্যকেও বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
হুসাইন ইবনে মিহসান (রা.) থেকে বর্ণিত— একদা তাঁর ফুফু নবী (সা.)-এর কাছে এলে তিনি জিজ্ঞেস করলেন: “তোমার কি স্বামী আছে?” তিনি বললেন: ‘জি আছে’। নবীজী বললেন: “স্বামীর কাছে তোমার অবস্থান কেমন?” তিনি বললেন: ‘সাধ্যের অতীত কোনো কাজ ছাড়া আমি তাঁর সেবায় কোনো ত্রুটি করি না।’ তখন নবীজী বললেন: “সাবধান থেকো! সে-ই তোমার জান্নাত অথবা তোমার জাহান্নাম!” [মুসনাদ আহমাদ ও নাসায়ী]
এই হাদীস অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। একজন নারীর জন্য তার স্বামী যেমন জান্নাতে পৌঁছানোর মাধ্যম হতে পারে, তেমনি তার অবাধ্যতা তাকে জাহান্নামেও নিয়ে যেতে পারে। এটি দাম্পত্য সম্পর্কের গুরুত্ব ও গাম্ভীর্যকে সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরে।
রাসূলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন: “যে নারী এমন অবস্থায় মারা যায় যে, তার স্বামী তার ওপর সন্তুষ্ট—সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” [তিরমিযী; হাদীসটি সহীহ]
এটি অত্যন্ত সহজ ও মধুর একটি প্রতিশ্রুতি। স্বামীর সন্তুষ্টি অর্জন করা যদি জান্নাত লাভের কারণ হয়, তাহলে প্রতিটি নারীরই উচিত তার স্বামীর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা। তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে, স্বামীর সন্তুষ্টি তখনই গুরুত্বপূর্ণ যখন তা আল্লাহর সন্তুষ্টির বিপরীত না হয়। স্বামী যদি আল্লাহর নাফরমানির নির্দেশ দেয়, তাহলে সে ক্ষেত্রে আল্লাহর আনুগত্যই অগ্রগণ্য।
স্বামীদের বিরহে স্ত্রীর বিলাপ
ইতিপূর্বে আমরা স্বামীদের পক্ষ থেকে স্ত্রীদের জন্য করা শোকগাঁথা উল্লেখ করেছিলাম, যেন কঠোর হৃদয়ের পুরুষদের মনে দয়া জাগে। এখানে নারীদের পক্ষ থেকে করা শোকগাঁথা উল্লেখ করছি একই উদ্দেশ্যে। অনেক
