তওবাকারী, ইবাদতকারী, সিয়াম পালনকারী; যারা হবে বিধবা অথবা কুমারী।” [সূরাহ আত-তাহরীম: ৫]। ইমাম ইবনে কাসীর (রহ.) এর ব্যাখ্যায় বলেন—বিধবা এবং কুমারী উভয় প্রকারের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যেন মনের সকল প্রকার তৃপ্তি অর্জিত হয়; কারণ বৈচিত্র্য মনে প্রফুল্লতা আনে।
উল্লেখ্য যে, জাবির (রা.)-এর ক্ষেত্রে নবী (সা.) তাঁর সিদ্ধান্তকে সঠিক বলেছিলেন; কারণ জাবির (রা.) তাঁর ছোট বোনদের দেখাশোনা ও প্রশিক্ষণের জন্য একজন অভিজ্ঞ ও ধৈর্যশীল নারীর প্রয়োজন অনুভব করেছিলেন—যা আপনি অন্য হাদীসে দেখতে পাবেন।
কুমারী ও বিধবা বিবাহের প্রসঙ্গ নিয়ে কিছু মজার ও শিক্ষণীয় ঘটনা
এক ব্যক্তির সামনে দুই দাসী পেশ করা হলো—একজন কুমারী, অন্যজন বিধবা। লোকটি কুমারীর দিকে ঝুঁকে পড়ল। তখন বিধবা দাসীটি বলল: “তুমি ওর প্রতি কেন ঝুঁকলে? আমার আর ওর মাঝে তো মাত্র এক দিনের পার্থক্য (অর্থাৎ বিয়ের এক দিন পরই তো সে বিধবা বা আমার মতো হয়ে যাবে)!” কুমারী মেয়েটি চটজলদি উত্তর দিল: “আর আপনার প্রতিপালকের কাছে এক দিন তো তোমাদের গণনার হাজার বছরের সমান!” [সূরাহ আল-হজ্জ: ৪৭]। তাদের বুদ্ধিমত্তায় খুশি হয়ে লোকটি দুজনকেই কিনে নিল।
বিখ্যাত সাহিত্যিক জাহিজ বলেন: আমি বাগদাদের এক দাসীকে জিজ্ঞেস করলাম— “তুমি কি কুমারী?” সে উত্তর দিল— “মন্দা বাজার থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাই!” (অর্থাৎ কুমারী মানেই হলো কেউ তাকে এখনও কেনেনি বা গ্রহণ করেনি)।
আলী ইবনে জাহম বলেন: আমি একটি দাসী কিনলাম এবং তাকে বললাম— “আমার মনে হচ্ছে তুমি কুমারী!” সে উত্তরে বলল— “হে আমার মনিব! খলিফা ওয়াসিক-এর আমলে তো অনেক বিজয় (উন্মুক্ত হওয়া) ঘটে গেছে!”
খলিফা মুতাওয়াক্কিল এক দাসীকে দেখে জিজ্ঞেস করলেন— “তুমি কি কুমারী (বিকর) নাকি অন্য কিছু (আইশ)?” সে চতুরতার সাথে বলল— “হে আমীরুল মুমিনীন! আমি আপনার ‘আইশ’ (অর্থাৎ আমি আপনার খুশিমতো যা চান তা-ই)।” খলিফা তার উপস্থিত বুদ্ধিতে হেসে দিলেন এবং তাকে কিনে নিলেন।
বাসর রাতে কুমারী স্ত্রীর সাথে আচরণ: হিতকর পরামর্শ
বাসর রাতে কুমারী স্ত্রীর সাথে আচরণের বিষয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও হিতকর পরামর্শ দেওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় এবং এর অজ্ঞতার কারণে অনেক সংসার ভেঙে যাওয়ার নজির থাকায় এটি বিস্তারিত জানা আবশ্যক।
যৌনবিজ্ঞান বিষয়ক একটি বইতে লেখা হয়েছে: “দাম্পত্য জীবনের সবচেয়ে নাজুক ও গুরুত্বপূর্ণ সময়
