ইসলাম ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি

« <
/ 49
> »

সংগ্রহ করতে সক্ষম নয়। বরং অন্যান্য ছোট ও অনুন্নত সংস্থার ন্যায় কমগুরুত্বপূর্ন তথ্য সংগ্রহই তার কাজ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়া, চীন ইত্যাদি দেশের গোপনতথ্য আহরণ করার কথা তো চিন্তা করাই যায় না। এ জন্য আমেরিকাকে স্যাটেলাইট সিস্টেমের উপর ভরসা করতে হয়।
NSA তৃতীয় বিশ্বের দেশ সমূহের বিরুদ্ধে যথেষ্ট ফলপ্রসু গোয়েন্দা সংস্থা হিসাবে স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে কিছু বন্ধুপ্রতিম দেশও রয়েছে। NSA বিশ্বের সবথেকে বড় কম্পউটার ও Cryptqanalysts এর ব্যাংক। অন্যদের কোড ও দাপ্তরিক ভাষা অনুবাদ করতে তাদের কোন সময়ই ব্যয় হয় না। ১৯৬০ সালে NSA এর দুই ধূর্ত গোয়েন্দা ভেলিম মার্টিন ও ব্যারনন ম্যাচল রাশিয়ায় পালিয়ে যায় এবং এ তথ্য প্রকাশ করে যে, NSA এর জন্য প্রায় চল্লিশটি দেশের কোড সিস্টেম পড়তে কোন সমস্যা হয় না। গোয়েন্দাদ্বয় আরো বলেন, NSA এর আরেকটি সফলতা হল তারা বিভিন্ন দেশকে Cryptograph Encoding এর মেশিনে সরবরাহ করে। যার মাধ্যমে সে দেশের তথ্য সরাসরি তাদের হস্তগত হয়। এ তথ্যগুলো গোয়েন্দাদ্বয় মস্কোতে এক প্রেস কনফারেন্সে প্রকাশ করে।
‘ব্রেক’ যান্ত্রিক উপকরনের মাধ্যমে গোপনতথ্য সংগ্রহের একটি পরিভাষা যা শুধু শব্দের অর্থ উদঘাটন নয় বরং অন্য দেশের যোগাযোগ স্থাপনকারী ব্যক্তির ভুলও জানতে পারে। কয়েক বছর পূর্বে ওয়াশিংটনে কোন এক দেশের দূতাবাসে এক গোপন যোগাযোগ স্থাপনকারী ক্লার্কের নিযুক্তি হয়। দ্রুত আপন পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে সে স্পষ্ট ভাষায় একটি তথ্য প্রদান করে। পরক্ষণেই নিজের ভুল বুঝতে পেরে ঐ কথাটিই কোড শব্দের মাধ্যমে দ্বিতীয়বার উচ্চারণ করে। উভয় কথাটি NSA এর হাতে পৌঁছে যায়। এতে করে তাদের সে দেশের কোড বুঝতে আর কোন সমস্যা হত না। কোড বাক্যকে পূর্বের কথাগুলোর সাথে মিলিয়ে শব্দগুলো আগে পরে করার মাধ্যমে NSA তাদের ভাষা বুঝতে পারত। নষ্ট হয়ে যাওয়া কিংবা যোগাযোগ স্থাপনকারী পুরাতন যন্ত্র মেরামত করা NSA এর জন্য একটি প্লাস পয়েন্ট। এর মাধ্যমে তারা বিভিন্ন দেশের নষ্ট বা বিকল যন্ত্র থেকে তাদের ভাষা উৎঘাটন করে থাকে।
ব্লাকের আরেকটি পদ্ধতি হল, ভিন দেশের গোপন যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর হামলা করা। আইনস্টাইন অপারেশন ফ্রিন্ড এর মাধ্যমে অন্যদেশের কোড বুক অথবা গোপন লেখার পদ্ধতি চুরি করা। যোগাযোগ স্থাপনকারী ক্লার্ককে ঘুষ দিয়ে অথবা কোন দূতাবাসের রেডিও রুমের বৈদ্যুতিক তরঙ্গযন্ত্র গোপন করে

« <
/ 49
> »