ইসলাম ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি

« <
/ 49
> »

F.B.Iও N.S.A এর মত ওয়াশিংটনে অবস্থিত সকল দূতাবাসের ফোনালাপ রেকর্ড করে। এর মধ্যে আমেরিকানদের তথ্যও থাকে। F.B.I এর এজেন্ট CHESAPEAK AND POTAMAC TELEPHONE COMNAY
এর সাহায্যে নিয়মতান্ত্রিকভাবে ফোনালাপ রেকর্ড করে। বিশেষত যখন কোন রাষ্ট্র আমেরিকা সম্বন্ধীয় কোন কথা বলে তা খুব গুরুত্বের সাথে রেকর্ড করা হয় অথবা সে দেশের কোন গুরুত্বপূর্ন কথা হলেও তা রেকর্ড রাখা হয়।
শুধু জাতীয় নিরাপত্তার প্রতি লক্ষ্য করে বিদেশী দূতাবাসের ফোনালাপ রেকর্ড করা বৈধ। এক্ষেত্রে F.B.I কে স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে অনুমোদন আনতে হয়।
যেহেতু স্টেট ডিপার্টমেন্ট F.B.I কে একথা বলে রেখেছে যে, সর্বদা তারা রেকর্ডের জন্য যন্ত্র প্রস্তুত রাখতে পারে। সে হিসাবে বলা যায় যে, সে সর্বদা রেকর্ড করার অনুমতি দেয়।
রেকর্ড করা এসব কথার ক্ষেত্রে এটা লেখা হয় না যে, এটা ওয়ার টেপের মাধ্যমে সংরক্ষন করা হয়েছে। বরং এটা লেখা হয় যে, এগুলো এমন যন্ত্রের মাধ্যমে সংরক্ষন করা হয়েছে যা পূর্বে নির্ভরযোগ্য ছিল।
সি.আই.এর যোগাযোগ ক্লার্ক আমেরিকান দূতাবাস ও ওয়াশিংটনের সকল তথ্যের রেকর্ড স্টেট ডিপার্টমেন্ট ও সি.আই.এর কাছে রাখে। প্রত্যেক দূতাবাসে গোয়েন্দা সংস্থার জন্য ভিন্য একটি কোড রূম তৈরী করা ব্যয়বহুল বিধায় সিআইএর এক কর্মকর্তাকে স্টেট ডিপার্টমেন্টের পরিচলনা কমিটির মধ্যে নিযুক্ত করা হয়। সে স্টেট ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তার বেশে সিআইএর যোগাযোগে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের পর্যবেক্ষন করে। যদিও নীতিগতভাবে কোন যোগাযোগ স্থাপনকারী ক্লার্কের এ কাজ নয় যে, সে স্টেটের কোড খবরগুলো পড়বে। কিন্তু যে কোন কোড ক্লার্ক আপন চাকরিকে সফল বানাতে চায় সে খুব দ্রুত জেনে যায় যে, তার প্রোমশন সি.আই.এর হাতে। তাই সে স্থানীয় চীফ স্টেটকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সরবরাহ করে।
দীর্ঘদিন যাবত স্টেট ডিপার্টমেন্ট এ কথা জেনে আসছে যে, তাদের কোন অতি গোপনীয় তথ্যও সিআইএর থেকে নিরাপদ নয়। তবে তাদের সান্তনার বানী হল, সিআইএ তা পড়বে না।
১৯৬৮ সাল। যখন ইরানে আমেরিকার রাষ্ট্রদূত অ্যারমন মেয়র ও ইরানে সি.আই.এর স্টেশন চীফের মাঝে ঝামেলা হল তখন মেয়র ওয়াশিংটনে স্টেট ডিমার্টমেন্টে নিরাপত্তা মাধ্যমগুলো একটির মাধ্যমে তথ্য পাঠাল যাকে “রোজার” বলে। কিন্তু সি.আই.এ এমন এক পন্থা অবলম্বন করল যে, তারা সকল তথ্য ও ওয়াশিংটন থেকে প্রেরিত জবাবের উদ্ধার করতে সক্ষম হলেন।

« <
/ 49
> »