শ্রবণযন্ত্র দ্বারা খুব সহজেই শোনা যায়। কিন্তু পৃথিবীর অন্য জায়গার যোগাযোগ এত সহজে শোনা যায় না। NSA গোটা দুনিয়ায় হাজার হাজার ভিন্ন চৌকিকে সহায়তা করে। সাধারণত এগুলো আমেরিকার অন্যান্য এজেন্সির চৌকি হয়ে থাকে। সাধারণত NSA বৈদেশিক বিষয়ে যে সকল এজেন্সি থেকে সহায়তা নেয় তার মধ্যে স্থল সেনা এজেন্সি, নেভি সিকিউরিটি এজেন্সি, এয়ার সিকিউরিটি এজেন্সি অন্যতম। সেনাবাহিনীর এই তিনটি শাখাই NSA এর সাথে নীতিগত সম্পর্ক রাখে। তারা যে সকল তথ্য সংগ্রহ করে তা ওয়াশিংটনের অদূরে মেরীল্যান্ড ফোর্ট মিডলে অবস্থিত NSA এর হেডকোয়ার্টারে পাঠিয়ে দেয়।
এনএসএর সদরদপ্তর, ফোর্ট মিডল, মেরীল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র
ন্যাশনাল সিকিউরিটির সর্ববৃহৎ বিরোধপূর্ণ বিমানবন্দর সম্পর্কে সিনেটের একটি সাব কমিটি যারা আমেরিকা কর্তৃক বহির্বিশ্বের সাথে কৃত প্রতিশ্রুতিগুলো গবেষণা করে, এক প্রতিবেদনে জানায় যে, এই গোপন বিমানবন্দরটি হেল স্যালাজির শাসনামল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে, যার বিনিময়ে তাকে হাজার মিলিয়ন ডলার সামরিক ও আর্থিক সহায়তা স্বরূপ দেয়া হায়েছে। অথচ কংগ্রেসের অধিকাংশ সদস্যের এ ব্যাপারে কোন জ্ঞানই ছিল না।
এই সাব কমিটির প্রধান স্টুট সাই ক্লিগন NSA এর আরেকটি গোপন জায়গার সন্ধান পায় যেখান থেকে সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রন ও দিক নির্দেশনার কাজ করা হত। যা কংগ্রেসের কারো জানা ছিল না। এই দুই বন্দরে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা থেকে আগত সংবাদ ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হত। বন্দর স্থাপনের জন্য আমেরিকাকে স্থানীয় প্রশাসনের অনেক দায়িত্ব নিতে হয়েছে এবং অনেক প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করতে হয়েছে।
শুরুতে NSA পূর্ব ইউরোপের দেশসমূহ ও চীনের বিরুদ্ধে কিছুটা সাফল্য অর্জন করলেও পরবর্তীতে সে দেশের উন্নত গোয়েন্দা সংস্থার সাথে প্রতিযোগীতা করে আর পারেনি। এখন এরা বড় বড় টার্গেটের কোন তথ্য
