ইসলাম ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি

« <
/ 49
> »

অধিকাংশ দেশ সর্ম্পকে সম্যক অবগত থাকে। যেহেতু দিন দিন যান্ত্রিক তথ্য-উৎঘটন পদ্ধতি উৎকৃষ্ট হয়ে চলেছে সে কারনে উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্রগুলিতে সনাতন পদ্ধতিতে গোয়েন্দাগিরি পরিত্যক্ত হয়ে গেছে। সনাতন পদ্ধতি আধুনিক যান্ত্রিক পদ্ধতিতে রূপান্তরিত হয়ে গেছে।
একারণে আমেরিকার বার্ষিক ব্যয় আকাশচুম্বি হয়ে গেছে। প্রায় ছয়শত বিলিয়ন ডলার। যদিও সনাতন পদ্ধতিতে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালালে অনেক কম করচে তা সম্ভব হত। অধিকন্তু যান্ত্রিক উপকরণের খরচ আকাশচুম্বি হওয়া সত্ত্বেও এর দ্বারা নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হয় না। বরং তা প্রস্তুত থেকে নিয়ে বিশ্লেষণ ও ফলাফল বের করা পর্যন্ত সকল দায়িত্ব আঞ্জাম দিতে বড় একটি দলের প্রয়োজন। বিশাল ব্যয় ও ব্যাপক ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন। যার মাধ্যমে যান্ত্রিক তথ্য উদ্ধার, মনিটরিং ও স্ক্যানিংয়ের প্রয়োজন পূর্ণ করা হয়। লাগাতার কয়েক বছর সাধনার পর সি.আই.এ-এর বিজ্ঞানীরা গোয়েন্দা বিমান আবিষ্কারে সক্ষম হয়েছে। এটাই সর্বপ্রথম কর্মক্ষম পরিপূর্ণ কৃত্রিম উপগ্রহ যার মাধ্যমে আকাশ থেকে ফটোগ্রাফির মাধ্যমে শত্রুর অবস্থান, গতিবিধি ও শক্তির সঠিক অনুমান করা যায়। শত্রু থেকে নিরাপদ দূরত্বে থাকার জন্য অসাধারণ প্রযুক্তি ও সেন্সর সম্পন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্র যেমন দিগন্ত পর্যন্ত দেখতে সক্ষম রাডার এবং ঝুলন্ত কৃত্রিম উপগ্রহের (স্যাটেলাইট) অনেক অবদান রয়েছে। এসব গবেষণা ও বাস্তব অভিজ্ঞতার জন্য পরীক্ষার ব্যয়ভারের অধিকাংশ পেন্টাগন বহন করে। অনেক প্রোগ্রামকে সি.আই.এ ও পেন্টাগনের যৌথ অপারেশনে পরিবর্তন করা হয়েছে। অথবা মিলিটারী সার্ভিস তা নিয়ে নিয়েছে। কেননা আমেরিকানরা একে বাধ্যতামূলক মনে করে।
যান্ত্রিক গুপ্তচরবৃত্তিতে আমেরিকার সর্বপ্রথম রেডিও প্রোগামগুলোতে হস্তক্ষেপ ও কোড ব্রেকিং বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন হয়। যাকে যোগাযোগ সংক্রান্ত গুপ্তচরবৃত্তি কমেন্ট বলে।
যদিও সেক্রেটারী অব স্টেট হেনরী স্যামসন ১৯২৯ সালে এ কারনে স্টেট ডিপার্টমেন্ট এর গোয়েন্দা সেকশনকে বন্ধ করে দেয় যে, অভিজাত শ্রেনীর লোকেরা একে অপরের চিঠি পাঠ করে না। কিন্তু কমেন্টকে দ্বিতীয়বার চালু করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতায় তার অবদান অনস্বীকার্য। যুদ্ধ পরবর্তী সময়ে এর কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়লেও শীতল যুদ্ধের (Cold war) সময়ে বেশ সক্রিয় ছিল বলে জানা যায়।

« <
/ 49
> »