গোপন যোগাযোগ ব্যবস্থা
ডি.আই.এ ডাইরেক্টর অব সাইন্স এন্ড টেকনোলজীর দক্ষ কর্মকর্তাগণ তথ্য হস্ত গত করার এমন সব অস্পৃশ্য পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে যার উদ্দেশ্য হল চীনের মিসাইলের প্রোগামের তথ্য জানা। এক প্রস্তাব অনুযায়ী এ বৈঠকের কাজ ছিল এমন একটি উড়োজাহাজ তৈরী করা যা খুলে বড় দুইটি স্যুটকেসের মধ্যে রাখা যাবে। এরপর এজেন্ট স্যুটকেস দুটি কোন কায়দায় নিষিদ্ধ এলাকায় প্রবেশ করাবে। এরপর ওখানে আপন গোয়েন্দা কাজ হাছিল করে উড়োজাহাজটিকে জোড়া লাগিয়ে তাকে উড়িয়ে পার্শ্ববর্তী কোন বন্ধুদেশে ল্যান্ড করাবে। অন্যদের কথাতো দূরে থাক স্বয়ং গোপন সার্ভিসের চীফ এই স্কীমের ব্যাপারে কিছু করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। আর এভাবেই তাদের এই স্কীম ড্রইং বোর্ডের উপর মৃত্যু মুখে আপতিত হয়েছে।
এজেন্সির টেকনিশিয়ানগন গোপন তথ্য সংগ্রহ করার যন্ত্রও আবিষ্কার করেছে। সি.আ.এ-এর টেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়াররা নিত্ত নতুন সিস্টেম আবিষ্কার করার জন্য এ কারনে বাধ্য হয় যে, তারা অন্যদের উপর নিজেদের শ্রেষ্টত্বের দাবীতে অটল থাকতে চায়। তাদের গবেষণাগুলোকে গোয়েন্দা কাজে সহায়ক যন্ত্র আবিষ্কারের জন্যই অনুমোদন দেয়া হয়। অনেক ক্ষেত্রে দূর্ভাগ্যবশত পলিসি আবিষ্কারকদের প্রয়োজনের কথা চিন্তা করে যন্ত্র বানানো হয় না। বরং সি.আই.এ ও অন্যান্য গোয়েন্দা ঘরানার লোকদের প্রয়োজনের তাগিদেই তৈরী করা হয়। মার্কিন সরকার এক্ষেত্রে অপারগ, কিছুই করতে পারে না। প্রযুক্তির কল্যাণে পূর্বের গোয়েন্দা কার্যক্রম যান্ত্রিক যুগে পর্দাপণ করেছে। যার ফলে এ জগতে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ যে প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয় তা হল, এখন কৃত্রিম গ্রহের যুগে গোপন তথ্য সংগ্রহ ও অন্যদের যোগাযোগের মাঝে হস্তক্ষেপ করার যন্ত্রের মাধ্যমে অনেক বেশী তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে। মার্কিনিদের বিশেষ শত্রুদের বিরুদ্ধে তথ্য সংগ্রহ করার ক্ষেত্রে এসব যন্ত্রগুলোর অনেক বড় অবদান রয়েছে। আকাশ থেকে শত্রুর অবস্থান ও শক্তি অনুমানকারী প্রোগ্রামগুলো চীন রাশিয়ার ক্ষেপনাস্ত্রের প্রোগ্রাম, সেনাবাহিনীর গতিবিধি, সামরিক প্রস্তুতি বিষয়ক অনেক তথ্য সরবরাহ করে।
তারাই উত্তর ভিয়েতনামকে দক্ষিণ ভিয়েতনামের ভিতর প্রবেশ করিয়েছে। দক্ষিন কোরিয়াকে উত্তর কোরিয়ার সামরিক প্রস্তুতি সংক্রান্ত অনেক মূল্যবান তথ্য সংগ্রহ করে দিয়েছে। এই সুব্যবস্থার কারনেই আমেরিকা মধ্য এশিয়ার
