ইসলাম ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি

« <
/ 49
> »

দেখুন, বুঝে শুনে সে কিভাবে ইবলিসের দায়িত্ব পালন করছে। মুসলিম দেশে গোয়েন্দা প্রেরণের সময় আরো বলেন, “সাবধান! কর্তব্যে অবহেলা করবে না। মনে রাখবে, তোমাদের সফলতার উপর জাতির ভবিষ্যত নির্ভর করছে। তাই তোমরা সর্বশক্তি প্রয়োগ করবে।”

“মুসলমানদের দুর্বল জায়গাগুলো খুঁজে বের করবে। ঐ পথে আমরা তাদের দেহে প্রবেশ করব এবং তাদের জোড়াগুলো বিচ্ছিন্ন করে দিব। মূলত শত্রুকে পরাজিত করার এটাই পথ।”
এ ছিল ব্রিটিশ কমনওয়েলথ মন্ত্রনালয় কর্তৃক মুসলিম দেশে প্রেরিত এক ইংরেজ গোয়েন্দার প্রতি অফিসারের নির্দেশ। এখন তো আরো সহজ হয়ে গেছে। হুমকি, প্রলোভন ইত্যাদির মাধ্যমে মুসলিমদের মধ্য থেকেই এজেন্ট বানিয়ে তাদের কাজ হাসিল করে। ধ্বংস হোক সেসব ব্যক্তি যারা মুসলিম নাম ধারণ করে ইসলাম ও মুসলিম জাতির ক্ষতিসাধনের চেষ্টায় লিপ্ত।

সর্বশেষ ইসলামী খেলাফত ধ্বংসের ষড়যন্ত্র নিয়ে বরং ইসলামী শক্তিকে নির্জিব করার লক্ষ্যে ব্রিটিশ কমনওয়েলথ মন্ত্রনালয় কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তের সারাংশ নিম্নে তুলে ধরা হলঃ- যে কর্মসূচী নিয়ে গোয়েন্দারা ছদ্ধবেশে বা এজেন্টের মাধ্যমে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছতে অবিরাম চেষ্টা চালায়। কর্মসূচীর মধ্যে মুসলিম জাতিকে মৌলিকভাবে শিক্ষা, শক্তি, অর্থ, স্বাস্থ্য ও সংস্কৃতি বিষয়ে দূর্বল করে রাখার বিষয়কে সবথেকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়।

শিক্ষা

• ইংরেজী শিক্ষার উপর বৃত্তি, উপবৃত্তি, উপহার, নোবেল পুরষ্কার ইত্যাদি প্রদান করে ইসলামী শিক্ষার এমনকি মহাগ্রন্থ আল কুরআনের বাস্তব সম্যত শিক্ষাকেও গুরুত্বহীন করে তোলা।
অনৈসলামিক শিক্ষাকে প্রসারিত করার লক্ষ্যে মুসলিম সমাজে বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা চালু করা।
• মুসলিম সমাজে শিক্ষানীতি প্রণয়ন কমিটিতে পশ্চিমা ধ্যানধারনা লোকের অনুপ্রবেশ ঘটানো।
• ইসলামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রকাশনা ও বিদ্বানদেরকে নিয়ন্ত্রন করতে হবে। অবশেষে নিশ্চিহ্ন করতে হবে।

« <
/ 49
> »