ইসলাম ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি

« <
/ 49
> »

দুটি কথা
সমস্ত প্রশংসা একমাত্র মহান আল্লাহ তায়ালার। সালাত ও সালাম প্রিয় নবী মুহাম্মাদ এর উপর বর্ষিত হোক। সত্য-মিথ্যার দ্বন্দ চিরদিনের। আল্লাহ তায়ালা দেখবেন কে সত্যের পথে থাকে আর কে মিথ্যার আধারে হারিয়ে যায়। সত্যকে প্রতিষ্ঠা করতে কে কে এগিয়ে আসে আর কে মিথ্যা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

ইবলিস তার মিশনে অতি তৎপর। ছলে, বলে-কৌশলে মানুষের মগজে কুবুদ্ধি এটে দিয়ে সরে পড়ে। এর মাশুল দিতে হয় সহজ সরল সত্যের অনুসারীদেরকে। সত্যের আওয়াজ চিরবুলন্দ। তবুও কেন যেন মিথ্যার অপতৎপরতা সত্যের অনুসারীদের জন্য বাধা বাধা মনে হয়। তবে তা অচীরেই নিশেঃয হয়ে যাবে। বাকি রবে একমাত্র আল্লাহর দ্বীন ‘ইসলাম’।

তাগুতের তৎপরতা দেখলে বড় অবাক হতে হয়। তবে আশ্চর্য লাগে তাদের অলসতা ও অসচতেনতা দেখে, যারা বলে আমরা সত্যের অনুসারী। অথচ তাদের পূর্বসূরীরা ছিল সদা জাগ্রত। শক্তি, সাহস, সম্মান ও গৌরবের অধিকারী। সত্যের অনুসারী চিরবিজয়ী এই মুসলিম জাতিকে সর্বহারা করার নেপথ্যে যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম, এ বইয়ে তার কিছুটা ধারনা পাবেন বলে বিশ্বাস, পাঠকের প্রতি। ধারনা পাবেন, কিছু মুসলিম রাষ্ট্রে পর্দার আড়ালের থাকা সংস্থাগুলোর সামর্থ ও তৎপরতা। কিন্তু মুসলিম দেশের তুলনায় আজ-আহ্-তাগুত ও কুফুরের দৌরাত্ম আকাশচুম্বী। মুসলিমদের শক্তিহারা করার সবপথ তারা অনুশীলন করেছে, একং করছে। লক্ষ্য করুন, ‘এক অমুসলিম নেতার বক্তব্য’- “ইসলাম জীবন ঘনিষ্ট ধর্ম। স্বভাবজাত ও বাস্তবতার ধর্ম। এর সৌন্দর্য জনসাধারণ জেনে ফেললে অথবা এর প্রকৃত ধারকবাহক পর্যন্ত তারা পৌছে গেলে আমাদের সর্বনাশ হবে। তারা হারানো কর্তৃত্ব, ক্ষমতা ও সম্মান ফিরে পাবে। আমাদের সাম্রাজ্যবাদী লালসার পথ বন্ধ হয়ে যাবে। ইসলামের ‘ন্যায়পরায়নতা’ যদি প্রকাশ পায় তবে আমাদের সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন, দস্যুবৃত্তি, মিথ্যাচার, অনাচার ও অন্যায় ভোগবিলাসের দরজা চিরতরে বন্ধ হয়ে যাবে। অতীতের নমুনা যদি তারা একবার জাগাতে পারে তবে দুনিয়া তাদের পায়ে পড়ে চুম্মন করবে। আমাদেরকে লাথি মেরে খেদাবে।”

« <
/ 49
> »