কাছে তথ্য সংগ্রহ করার জন্য পাঠিয়ে দিলেন।
(সীরাতে ইবনে হিসাম।)
খন্দক যুদ্ধে হযরত নুআঈম ইবনে মাসউদ রা. কে শত্রুদের মাঝে ফাটল ধরনের জন্য পাঠিয়েছেন। সে এক আশ্চর্য ঘটনা। দ্বিতীয় পর্বে এর বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।
হযরত যুবাইর ইবনে আওয়াম রা. কে তাদের খবর সংগ্রহ করার জন্য পাঠান।
শত্রু দল সম্পর্কে যেমন রসূল আম্পায়ার তথ্য সংগ্রহ করতেন তেমনি নিজের সামরিক সংকল্পও গোপন রাখতেন। সহীহ বুখারীতে বর্ণিত হয়েছে, নবীজী সে যুদ্ধেই গেছেন সেখানে ‘তাওরিয়া’ করেছেন। ‘তাওরিয়া’ অর্থ তার গতিবিধি দেখে গুপ্তচর কিংবা নিজের সাথীরাও বুঝতে পারতেন না তিনি এবার ঠিক কোথায় আক্রমন করবেন।
শুধু যুদ্ধের সময়ই তিনি শত্রুদের খবর নিতেন এমন নয়। । বরং স্বাভাবিক অবস্থায়ও তিনি শত্রুদের অবস্থার প্রতি নজর রাখতেন। উহুদ যুদ্ধের পরক্ষণেই হযরত আলী রা. কে শত্রুদের প্রতি প্রেরণ করেন। দেখতে বলেন, তাদের অবস্থা কি?
(সীরাতে ইবনে হিশাম।)
এভাবে খলীফাতুর রসূল হযরত আবু বকর রা., হযরত উমার রা. এবং অন্যান্য খলীফা ও শাসকরা গোয়েন্দা বিভাগকে যথেষ্ট তৎপর রেখেছিলেন।
আলী বিন সুফয়ানের কথা কে না জানে! সুলতান সালাহুদ্দীন আইয়ূবীর বিজয় সিরিজে আলী বিন সুফয়ানের গোয়েন্দা কার্যক্রমই মৌলিক অবদান রেখেছে বলে সকলের কাছে প্রতিয়মান। যখনই এ বিভাগটি বেখবর হয়ে গেছে তখন থেকেই মুসলিম সেনাবাহিনী পরাজয়ের গ্লানি আস্বাদন করেছে।
এক নজরে ইন্টেলিজেন্স ও আন্তর্জাতিক গোপন এজেন্সিসমূহ
ইতিহাস স্বাক্ষী, ইন্টেলিজেন্স-সাহসী, দেশপ্রেমিক, স্বীয় উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে আগ্রহী ব্যক্তিদের পেশা। জাতীয় লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের স্বার্থে এর একেকজন সদস্য যারপর নাই ভয়ংকর ও কষ্টকর পরিস্থিতি মাথা পেতে সয়ে নেয়। সারা জীবন সাধনায় থেকে সকল কুটিল ও জটিল অবস্থার সফল মোকাবেলা করতে হয়। কষ্ট সহ্যের এমন পরিস্থিতিতেও তাকে থাকতে হয় অপরিচিত-একাকী। অজানা এক ছায়া, অদৃশ্য এক ভয় সর্বদা তার সাথে চলতে থাকে। কখনও এটা বাস্তবরূপ নিয়ে তার জীবন ধ্বংস করে দেয়। তার কবরের উপর না থাকে কোন চিহ্ন আর না কোন ভাস্কর্য। কিন্তু বাস্তবতা হল এসব লোকের কোরবানী ও আত্মোৎসর্গই জাতীর ভাগ্য বদলে দেয়। তাদের নাম এমন এক অদৃশ্যমান সূচীতে লিপিবদ্ধ হয় যা জাতীয় ভাগ্যাকাশের
