এরশাদ করেন-
وَلَا يَزَالُونَ يُقَاتِلُونَكُمْ حَتَّى يَرُدُّوكُمْ عَنْ دِينِكُمْ إِنِ اسْتَطَاعُوا
তারা তো সর্বদা তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে থাকবে, যাতে করে তোমাদেরকে দ্বীন থেকে ফিরিয়ে দিতে পারে যদি সম্ভব হয়।
একত্ববাদের দাওয়াতই ছিল তাদের চোখের শূল। ষড়যন্ত্র করে তাকে তার দাওয়াতকে, তার অনুসারীদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে চেয়েছে। তাই তো তাদের ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করতে হয়েছে, ষড়যন্ত্রের মূল চাবিকাঠি ‘শক্তি’ ভেঙ্গে দিতে হয়েছে। শক্তির মূল উৎস ‘সম্পদ’ আহরনের মাধ্যম ‘বাণিজ্য’কে বাধাগ্রস্থ করতে হয়েছে। ষড়যন্ত্রের জাল ছিন্নভিন্ন করতে হয়েছে। আল্লার পক্ষে থেকে কিতালের আদেশ এসেছে, এখনও চলছে, কিয়ামত পর্যন্ত চলবে।
মুহাম্মাদ বিশ্বনবী-আবার সেনাপতি, সর্বযুগের সর্বশ্রেষ্ঠ সেনাপতি। যুদ্ধের প্রস্তুতি ও কৌলশ স্বরূপ তার বিচক্ষনতা ছিল অতুলনীয়। তার প্রতিটি কাজ ও কথা এর প্রজ্জোজ্জল সাক্ষী।
আসুন, আমরা শত্রু সম্পর্কে অবগতি লাভের ক্ষেত্রে নবীজীর কিছু মোবারক পদক্ষেপ লক্ষ্য করি-
নবীজী এর এক ঐশি বুদ্ধির প্রমাণ বদরের দিন হযরত আলী, যুবায়ের ইবনে আওয়াম, সা’দ ইবনে আবী ওয়াক্কাস রা. কে বদরের দিকে পাঠিয়েছেন খবর সংগ্রহ করতে। তারা দুইজন গোলামকে ধরে নিয়ে আসেন। নবীজী তাদের জিজ্ঞাসা করলেন, তোমরা কাদের? তার বলল, আমরা কুরাইশদের রাখাল। পানির খোঁজে এসেছি। জিজ্ঞেস করলেন, তারা সংখ্যায় কত? তারা অস্পষ্ট জবাব দিল, ‘অনেক বেশী’। নবীজী জিজ্ঞাসা করলেন, দিনে কয়টি উট যবেহ করা হয়? তারা বলল, কোন দিন নয়টি, কোনদিন দশটি। নবীজী বললেন, তাদের সংখ্যা ৯০০ থেকে ১০০০ মাঝে।
কখনও তিনি সাহাবাদেরকে প্রেরণ করেছেন শত্রুর অবস্থা জেনে আসার জন্য। হজরত আবু হুরাইরা রা. বর্ণনা করেন, নবীজী বদরের দিন ১০ জন সাহাবীকে শত্রুদের তথ্য সংগ্রহের জন্য পাঠিয়েছেন। বুখারী, মুসনাদে আহমদ।
হযরত আব্বাস রা. মক্কায় থেকে কুরাইশদের সকল তথ্য নবীজীর কাছে প্রেরণ করতেন। তাই তো তিনি যখন হিজরতের আকাংখা ব্যক্ত করলেন, তখন রসূল এরশাদ করলেন, “তোমার মক্কায় অবস্থান করা সকলের জন্য কল্যানকর”। যখন হাওয়াজেন ও সাকীফ গোত্র মদীনায় আক্রমন করতে ইছা করল, নবীজী তখন হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আবী হাদরাদ আল আসলামী র. কে তাদের
