ইসলাম ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি

« <
/ 49
> »

war pingfa) রচনা করে। এরপর কোটিল্য এর লিখিত গ্রন্থ অর্থশাস্ত্রকে এ বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। পুরাতন হিন্দু সভ্যতার বই কাদাম্বার (Qadambeer) লেখক বানা (Bana) অর্থশাস্ত্র সম্পর্কে লিখেছে: অর্থশাস্ত্র এমন রাজনীতি শিক্ষা দেয়, যার ভিত্তি অত্যাচার ও নির্মমতার উপর। যে সরকারী আমলাদেরকে শুধু প্রতারনাই শিক্ষা দেয়।
মানব সভ্যতার ইতিহাসের মত গুপ্তচরবৃত্তির ইতিহাসও পুরানো। পৃথিবীতে যখনই বিভিন্ন রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটেছে তখনই গুপ্তচরবৃত্তির প্রয়োজন ও গুরুত্ব বেড়ে গেছে। প্রতিটি রাষ্ট্রই শত্রুর পরিকল্পনা সম্পর্কে সতর্ক থাকার লক্ষ্যে গুপ্তচরবৃত্তির সহোযোগীতা নেয়া শুরু করেছে। আগের যুগে গুপ্তচরবৃত্তির মাধ্যম শুধু মানুষই ছিল। পরবর্তীতে যখন বিজ্ঞানের উৎকর্ষতায় বিভিন্ন প্রযুক্তি আবিষ্কার হতে শুরু হল তখন গুপ্তচরবৃত্তির যন্ত্রও আবিষ্কার হয়েছে এবং ইনফরমেশন টেকনোলজির নানান শাখার উদ্ভব হয়েছে।
ইসলামে গুপ্তচরবৃত্তি
আল্লাহ তায়ালা মানুষকে একটি উদ্দেশ্যে নিয়ে সৃষ্টি করেছেন। “তিনি সকল উদ্দেশ্যে থেকেও পবিত্র”। তবে এটা সম্পূর্ণই মানুষের স্বার্থে। মানুষ তাকে চিনবে, মানবে, পুরস্কার লাভ করবে। তাই জীবন ব্যবস্থা স্বরূপ ইসলামকে দ্বীন হিসেবে মনোনীত করেছেন। ইসলামের উপর চলা সহজ করতে যুগে যুগে নবী-রাসূল ও কিতাব অবতীর্ণ করেছেন। তারা ছড়িয়েছেন সত্যের আলো, শুনিয়েছেন সফলতার পয়গাম, প্রতিষ্ঠা করেছেন শান্তির সমাজ। কিন্তু মিথ্যা, অন্ধকার আর বাতিল-শয়তানের অনুকরনে বাধা হিসেবে দাড়িয়েছে। প্রতিরোধ করতে-করতে হয়েছে কিতাল। লড়াই। মহাসত্যের যুদ্ধ। আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করেন-
وَكَأَيِّنْ مِنْ نَبِيٍّ قَاتَلَ مَعَهُ رَبِّيُّونَ كَثِيرٍ
আল্লাহর পথে অনেক নবী এবং সাধকরা যুদ্ধ করেছেন…
তেমনি সর্বশ্রেষ্ঠ নবী ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব মুহাম্মাদ সাহা এর ক্ষেত্রেও একই দৃশ্য। আল্লাহ তায়ালা তাকে নবুওয়াতী দিয়েছেন। কিতাব দিয়েছেন। ইসলামকে সব মতবাদের উপর বিজয় করতে আদেশ দিয়েছেন। কিন্তু শয়তান ও তার চেলারা বসে থাকেনি। বাধার পাহাড় এনে সামনে হাজির করেছে। কুরাইশ, ইয়াহুদী ও তখনকার পরাশক্তিগুলো নবীজীকে শান্ত ও স্বাভাবিকপন্থায় হকের দাওয়াত দিতে দেয়নি। তার উম্মতকেও দিবে না। আল্লাহ তায়ালা

« <
/ 49
> »