ইসলাম ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি

« <
/ 49
> »

তারকা হয়ে জ্বলজ্বল করতে থাকে।
এই শাখার প্রত্যেক কর্মকর্তা এমন মর্দে মুজাহিদ হয়ে থাকে যারা স্বীয় উদ্দেশ্য সম্পর্কে শতভাগ অন্তদৃষ্টি রাখে। একজন দক্ষ হস্তশিল্পীর ন্যায় আপন যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার মূল্যবান রত্নভাণ্ডারকে চৌকস ও সতর্কতার সাথে ব্যবহার করে ভাজে ভাজে লুকায়িত সব বিপদসঙ্কুল বাস্তবতাকে খুঁজে বের করে। আপন লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনে কোন প্রলোভনের শিকার হয় না। আবেগ কখনও তাদের কাজে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে না। পাগলের ন্যায় এক ধ্যান ও ধান্ধায় চলতে থাকে।
তথ্য সংগ্রহ করে রিপোর্ট তৈরী করে ইন্টেলিজেন্স এর কাছে হস্তান্তর করা পৃথিবীর প্রতিটি রাষ্ট্রেই উল্লেখযোগ্য পেশা হিসেবে মনে করা হয়। প্রতিটি রাষ্ট্রই ছোট হোক অথবা বড়, শক্তিশালী বা দূর্বল-আপন নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তারা গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে এবং এ বিদ্যায় বিশেষজ্ঞ তৈরী করে। প্রতিরক্ষা, জাতীয় নিরাপত্তা, বহিরাষ্ট্রের গোপন পরিকল্পনা, শক্তি ও প্রযুক্তি সেক্টরের রহস্য ও ভেদ জানা এবং তাদের প্রতি গোপন নজরদারির জন্য এ ধরনের তীক্ষ্মানুভুতি সম্পন্ন প্রতিষ্ঠানের দ্বারা কার্য হাছিল করে। এ জন্য দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনায় উত্তম থেকে উত্তম হেকমতে আমলী-কর্মকৌশল তৈরী করার কাজে শত্রু ও মিত্রের তৎপর কর্মীদের পরিচিতি জরুরী।
প্রতিটি রাষ্ট্র নিজ দেশের ভেতরগত বিষয়ের ওপর নজরদারী ও বহিরাষ্ট্রের অবস্থা সম্পর্কে অবগত হওয়া অথবা নিজেই গোপন লক্ষ্য বাস্তবায়ন করা এবং রাজনৈতিক ও সামরিক উদ্দেশ্য হাছিলের উদ্দেশ্যে গোয়েন্দা সংস্থা প্রতিষ্ঠা করে রেখেছে। ছোট রাষ্ট্রগুলোর গোয়েন্দা কার্যক্রম দেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। বড় রাষ্ট্রগুলো সমগ্র পৃথিবীব্যাপী গোয়েন্দা জাল বিস্তার করে রেখেছে। এর মধ্যে নামকরা ও প্রসিদ্ধ হল, যাদেরকে গোয়েন্দা সম্রাট বলা হয় তারা হল, পাকিস্ত ানের আই.এস.আই.(I.S.I), আমেরিকান সি.আই.এ (C.I.A), রাশিয়ার কে.জি.বি (K.G.B), ইসরাঈলের মোসাদ (MOSAD), ভারতের ‘র’ (R), ব্রিটেনের স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড ইত্যাদি। হিটলারের গেস্টাপো সন্ত্রাসবাদের প্রতীক হয়ে গিয়েছিল। পৃথিবীর বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে সকল যুদ্ধাস্ত্র ব্যবহার করে। এমনকি কঠোরতা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমের কোন দিকই বাদ পড়ে না, অথচ তারা দাবী করে আমরা পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠা করছি। কঠোরতাকে দাফন করছি, সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটন করছি।
বর্তমানে জল, স্থল, আকাশপথ সব খানেই গোয়েন্দা কার্যক্রম চলমান। সামদ্রিক যুদ্ধ জাহাজ, সাবমেরিনও শত্রুর তৎপরতার ওপর নজর রাখে। এর মধ্যেও গোয়েন্দাগিরির ব্যবস্থাপনা বিদ্যমান। এ ছাড়া শূন্য থেকে গোয়েন্দাগীরির জন্য বিমান তৈরী হয়ে গেছে। এরই মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ হল বিমান, যা পাইলট ব্যতীত চালিত হয় (ড্রোন)
বর্তমান যুগ ইলেক্ট্রনিক যুদ্ধের যুগ (Electranic war)। এক সময় এফ ১৬ (F16) কে সর্বোচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন বিমান মনে করা হত। যাতে মিসাইল স্থাপন করা সহ গোয়েন্দা নজরদারির ব্যবস্থাপনাও ছিল। আমেরিকান গোয়েন্দা বিমানের মধ্যে রয়েছে এফ ১৬ (F.16), আই ইউ এক্স, নিমরড ইত্যাদি।

« <
/ 49
> »