ইসলাম ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি

« <
/ 49
> »

গোয়েন্দা হছে একজন পেশাদার অনুসন্ধানকারী বা তদন্তকারী কর্মকর্তা। তিনি কোন পুলিশ বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য অথবা নির্দিষ্ট কোন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক মনোনীত গুপ্তচর হতে পারেন। সাম্প্রতিককালে গোয়েন্দাকে ব্যক্তিগত গোয়েন্দা বা ব্যক্তির আপত: দৃষ্টি নামে অভিহিত করা হয়ে থাকে।

আর্ন্তজাতিক আইনে গোয়েন্দার সংজ্ঞা এরূপ, যে গোপনে অথবা ছদ্মবেশে শত্রুদেশের তথ্য সংগ্রহের জন্য কাজ করে যাতে শত্রুর গতিবিধি, যুদ্ধপরিস্থিতি, সামরিক সক্ষমতা ও তৎপরতা জানিয়ে নিজ দেশকে সহায়তা করতে পারে। তথ্য সংগ্রহ করা কখনও স্বশরীরে হয়, আবার কখনও যুদ্ধের সময় দূরে থেকে। কখনও গোপনে যেমন, মানবাধিকার কর্মী, ত্রাণ কর্মী, সেচ্ছাসেবক, দাতব্য বা সেবা সংস্থার কর্মী, স্বাস্থ্যকর্মী, এনজিও কর্মী, ধর্মপ্রচারক ইত্যাদির ছদ্মবেশে। এরা অধিকাংশ সময় কোন না কোন গোয়েন্দা সংস্থার হয়ে কাজ করে, যদিও বাহ্যিকভাবে পরিচয় থাকে ভিন্ন। আর এটাই অধিকাংশ গোয়েন্দা বা এজেন্টের পরিচয়। আর কখনো প্রকাশ্যে, যেমন, সংবাদিক, কলামিষ্ট, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব ইত্যাদি।
গোয়েন্দার প্রধান কাজই হচেছ, কোন গুরুতরভাবে লুকায়িত অপরাধ বা অমিমাংসিত ঐতিহাসিক অপরাধের ঘটনাপ্রবাহ তদন্ত স্বার্থে তৃনমূল পর্যায়ে থেকে সংগ্রহ করে সংবাদের পিছনের সংবাদ জনসম্মুখে তুলে ধরা। এছাড়া গোয়েন্দা হিসাবে একজন ব্যক্তি ‘ডিটেকটিভ’ হিসাবেও সকলের কাছে পরিচিতি পেয়ে থাকেন।

বৈশিষ্ট্যাবলী
সাধারন অর্থে যিনি গুপ্তচরবৃত্তির মাধ্যমে জীবন জীবিকা নির্বাহ করেন, তিনি গোয়েন্দা নামে পরিচিত। সাধারনত: একজন সফল ও স্বার্থক গোয়েন্দাকে নিম্ন বর্ণিত বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হতে হয়।ৎ

অপরাধও রহস্যজনক কর্মকান্ড মনো: বিশ্লেষনের মাধ্যমে প্রমাণ করবেন।
রহস্যমূলক কর্মকাণ্ডে সর্বক্ষন সম্পৃক্ত থেকে তীক্ষ্ণ ও শানিত মেধা প্রয়োগ করবেন।
উপস্থিত বিচার-বুদ্ধি যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রয়োগের মাধ্যমে কাঙ্খিত ব্যক্তি বা বস্তুকে জনসম্মুখে উপস্থাপণ করবেন।
নির্দোষ ব্যক্তি যাতে ক্ষতিগ্রস্থ বা দোষী না হন এবং প্রকৃত দোষীকে আইনে সোপর্দ করার প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
অপরাধী বা ঘটনার ছোট্ট কু, সংকেত বা চিহ্নের সাহায্যে অপরাধের
গতি প্রকৃতি ও অবস্থান চিহ্নিত করবেন।

« <
/ 49
> »