ইসলাম ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি

« <
/ 49
> »

প্রথম পর্ব

গোয়েন্দা-গুপ্তচর, গুপ্তচরবৃত্তি

গুপ্তচর: সাংবাদিক, রহস্যবিদ, তত্ত্ববিশ্লেষক।
গুপ্তচরবৃত্তি: সাংবাদিকতা, রহস্য উদঘাটন করা, এক দেশের সরকারী গোপন তথ্য অন্যদেশের সরকারকে অবগত করা। গোপনে তথ্য সংগ্রহ করা, দৃষ্টির আড়ালে থেকে সংবাদ আহরন করা।
গুপ্তচরবৃত্তি একটি বিজ্ঞান। স্নায়ু নিয়ন্ত্রন পরীক্ষা। বুদ্ধির খেলা ‘দাবা’। যার একটি গুটি চালনার পূর্বে খেলোয়াড়কে হাজারবার চিন্তা করতে হয়। সর্বোত্তম গোয়েন্দা সে যে শুধু বুদ্ধিবৃত্তিক পন্থায় কাজ সম্পাদন করে। যার কোন ক্ষুদ্র কাজও এ কথা প্রমাণ করতে পারে না যে, সে অসতর্ক।

এই খেলায় খেলোয়াড়কে কখনও না দেখে গুটি চালাতে হয়। যদি চাল সঠিক হয় তবে তো ভালো। আর যদি ভুল হয় তবে জানবাজি রাখাও লাগতে পারে। সামান্য ভুলেও এতে অসামান্য মাশুল দিতে হয়।
এই খেলায় অংশগ্রহনকারী কোন এক সাথীর ভুল সকলকে ডুবিয়ে মারতে পারে। তাই এতে ভুল করার কোন অবকাশ নেই।

মোটকথা, গোয়েন্দা হল-কৌতূহলী, অনুসন্ধিৎসু, রহস্য উদঘাটনকারী, যে ভেদ খুঁজে বের করে, গোপন খবর তালাশ করে, যে ভিতরগত অবস্থা সম্পর্কে অবগত হয়। আরবীতে বলে جاسوس জাসুস।
ইসলামী পরিভাষায় ফুকাহায়ে কেরাম গোয়েন্দা বা গোয়েন্দাগীরির কোন নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দেননি। অর্থ স্পষ্ট হওয়াতে তার কোন প্রয়োজনও নেই।

ইমাম কুরতুবি রহ. বলেন, হল- কোন ব্যক্তি যা গোপন রাখতে চায় তা তালাশ করা। গুপ্তচরকে বলে جاسوس।  আবার তাকে عين ও বলে। অর্থাৎ চক্ষু, গুপ্তচর সর্বক্ষণ তথ্য সংগ্রহের আশায় দৃষ্টি দিয়ে থাকে বিধায় যেন তা সমস্ত শরীর চক্ষুতে পরিনত হয়েছে।

« <
/ 49
> »