প্রেক্ষাপট
কিছু কিছু পুলিশ অধিদপ্তরে গোয়েন্দা পদে সরাসরি লোক নিয়োগ দেয়া হয় না। গোয়েন্দাকে ঐ পদে নিয়োগের জন্য নির্দিষ্ট কিছু শর্তাবলী পূরণ করতে হয়। তন্মধ্যে লিখিত পরীক্ষা একটি অন্যতম মানদণ্ড। পুলিশ কর্মকর্তাকে এ যোগ্যতা অর্জনের মধ্যমেই কেবল গোয়েন্দা পদে নিয়োগ করা হয়।
ব্রিটিশ আইন অনুসারে পুলিশ গোয়েন্দাকে কমপক্ষে দু’বছর পোশাকধারী বা উর্দি পরিহিত কর্মকর্তা হিসেবে চাকুরী করতে হয়। এর ফলে তিনি অপরাধী তদন্ত অধিদপ্তর যোগদানের জন্য আবেদন করার যোগ্যতা অর্জন করেন। গোয়েন্দা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবার জন্য যুক্তরাজ্যের পুলিশ বাহিনীতে চাকুরীর পাশাপাশি অপরাধ তদন্ত উন্নয়ন পরিকল্পনার অধীনে জাতীয় তদন্ত পরীক্ষায় অবশ্যই কৃতকার্য হতে হয়।
অনেক পুলিশ অধিদপ্তরে গোয়েন্দা হিসেবে স্নাতক উত্তীর্ন সাধারন শিক্ষার্থীদেরকে পোষাকবিহীন অবস্থায় সরাসরি নিয়োগ দেয়া হয়। অনেকের মতে, গোয়েন্দাদের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হয়। গোয়েন্দারদের মাঝে সম্পূর্ন স্বতন্ত্র ধরনের গুনাবলী, সক্ষমতা, যোগ্যতার অধিকারী হতে হয় যা পোষাক বা উর্দিধারী পুলিশ কর্মকর্তা থেকে পৃথক।
গোয়েন্দাকে তার অবস্থান ও গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিত করতে প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষায় আত্মনিয়োগ করতে হয়। তার মধ্যে তদন্ত কাজে নীতিবোধ, চর্চা এবং প্রক্রিয়া রয়েছে। সাক্ষাৎকার ও প্রশ্নমূলক দৃষ্টিভঙ্গি, অপরাধ আইন ও প্রক্রিয়া, প্রচলিত আইনে গ্রেফতার, অনুসন্ধান ও মালামাল জব্দ, ওয়ারেন্ট ও প্রমাণ, পুলিশ বিভাগে রক্ষিত নথিপত্র ও প্রতিবেদন সম্পর্কে ধারনা। আদালতে প্রমাণ বা সাক্ষ্য হিসাবে পুলিশ বিভাগের নীতিমালা, চর্চা ও উদ্দেশ্য এবং পুলিশ বিভাগের পদ্ধতি ও স্বাক্ষর অন্যতম। সাধারনত উভয় ক্ষেত্রেই পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দাকে প্রশ্নমূলক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অগ্রসর হতে হয়। কিন্তু গোয়েন্দাকে আরো বেশী প্রতিকুল পরিবেশের মুখোমুখি ও মোকাবেলা করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হয়।
বেসরকারী পর্যায়ে গোয়েন্দা সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের নির্দিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নিবন্ধনের মাধ্যমে অনুমোদন দেয়া হয়। কিন্তু এর জন্যে তাকে প্রতিযোগীতামূলক পরীক্ষা এবং অপরাধীর অতীত ইতিহাস সম্পর্কেও সম্যক অবগত হতে হয়। কয়েকটি রাজ্যে শ্রেনীকক্ষে প্রশিক্ষন, সঠিকভাবে ও দক্ষতার সাথে অস্ত্র পরিচালনা সহ অভিজ্ঞতার প্রয়োজনকে গুরুত্ব প্রদান করে।
