আদাবুল মুফরাদ

« <
/ 122
> »

কোনো অংশ নেই।” পরবর্তীতে নবীজী ﷺ-এর কাছে এ জাতীয় কিছু পোশাক এলে তিনি উমর (রা.)-এর কাছে একটি পাঠিয়ে দেন। উমর (রা.) বললেন, “আমি এটি কীভাবে পরব, অথচ আপনিই তো এর ব্যাপারে এমন (কঠোর) কথা বলেছিলেন?” নবীজী ﷺ বললেন, “আমি তোমাকে এটি পরার জন্য দেইনি; বরং বিক্রি করতে বা কাউকে উপহার দিতে দিয়েছি।” অতঃপর উমর (রা.) সেটি মক্কায় অবস্থানরত তাঁর এক (মুশরিক) ভাইকে পাঠিয়ে দেন, যে তখনো ইসলাম কবুল করেনি।

 

হাদিসের মান: সহীহ।

 

পরিচ্ছেদ: পিতা–মাতাকে গালি না দেওয়া

২৭ নম্বর হাদিস:

 

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজী ﷺ বলেছেন: “নিজের পিতা-মাতাকে গালি দেওয়া কবিরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত।” সাহাবীগণ বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “মানুষ কি নিজের পিতা-মাতাকে গালি দেয়?” তিনি বললেন, “হ্যাঁ; সে যখন অন্যের পিতাকে গালি দেয়, তখন সেই ব্যক্তিও পালটা তার পিতাকে গালি দেয়। আবার সে যখন অন্যের মাকে গালি দেয়, তখন সেই ব্যক্তিও পালটা তার মাকে গালি দেয়।”

 

হাদিসের মান: সহীহ।

 

২৮ নম্বর হাদিস:

 

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আস (রা.) বলেন: “মানুষের জন্য এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি করা যাতে তার পিতাকে গালি শুনতে হয়, আল্লাহর কাছে তা অন্যতম কবিরা গুনাহ।”

 

হাদিসের মান: হাসান।

 

পরিচ্ছেদ: পিতা–মাতার অবাধ্যতার শাস্তি

২৯ নম্বর হাদিস:

 

হযরত আবু বাকরা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজী ﷺ বলেছেন: “বিদ্রোহ বা জুলুম এবং আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার চেয়ে এমন কোনো গুনাহ নেই, যার শাস্তি আল্লাহ তাআলা দুনিয়াতে দ্রুত দেওয়া অধিক সমীচীন মনে করেন—পরকালে তার জন্য নির্ধারিত আজাব জমা রাখা সত্ত্বেও।”

 

(দ্রষ্টব্য: পিতা-মাতার অবাধ্যতা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার সবচেয়ে বড় রূপ, তাই এর পরিণাম দুনিয়াতেই ভোগ করতে হয়।)

 

হাদিসের মান: সহীহ।

 

৩০ নম্বর হাদিস:

 

হযরত ইমরান ইবনে হুসাইন (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ একদা জিজ্ঞেস করলেন, “ব্যভিচার, মদ্যপান ও চুরি সম্পর্কে তোমরা কী বলো?” আমরা আরজ করলাম, “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভালো জানেন।” তিনি বললেন, “এগুলো চরম অশ্লীল ও জঘন্য কাজ এবং এগুলোর জন্য শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে আমি কি তোমাদের সবচাইতে বড় কবিরা গুনাহ সম্পর্কে জানাব না? তা হলো—আল্লাহর সাথে শরিক

« <
/ 122
> »