আদাবুল মুফরাদ

« <
/ 122
> »

ও জাহান্নাম দিয়ে পরস্পরকে অভিশাপ দেওয়া

৩২০. হযরত সামুরা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “তোমরা আল্লাহর লানত (অভিশাপ), আল্লাহর গজব (ক্রোধ) এবং জাহান্নামের আগুন দিয়ে পরস্পরকে অভিশাপ দিও না।” (মান: য‘ঈফ)

দ্রষ্টব্য: এই হাদিসটির সূত্র দুর্বল হলেও এর অর্থ অন্যান্য সহিহ হাদিস দ্বারা সমর্থিত, যেখানে মুমিনকে গালি ও অভিশাপ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

পরিচ্ছেদ: কাফেরকে অভিশাপ দেওয়া

৩২১. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে বলা হলো, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি মুশরিকদের ওপর বদদোয়া (লানত) করুন।” তিনি বললেন: “নিশ্চয়ই আমি অভিশাপকারী হিসেবে প্রেরিত হইনি, বরং আমি রহমত (করুণা) হিসেবে প্রেরিত হয়েছি।” (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: চোগলখোর

৩২২. হাম্মাম (রহ.) থেকে বর্ণিত— আমরা হযরত হুজায়ফা (রা.)-এর সাথে ছিলাম। তাঁকে বলা হলো যে, এক ব্যক্তি (গোপন) কথাবার্তা উসমান (রা.)-এর কাছে পৌঁছে দেয়। তখন হুজায়ফা (রা.) বললেন, আমি নবী করীম ﷺ-কে বলতে শুনেছি: “চোগলখোর জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (মান: সহীহ)

৩২৩. আসমা বিনতে ইয়াজিদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “আমি কি তোমাদের মধ্যকার সর্বোত্তম ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানাব না?” সাহাবীগণ বললেন, “অবশ্যই বলুন।” তিনি বললেন: “যাদের দেখলে আল্লাহর কথা স্মরণ হয়।” এরপর তিনি বললেন: “আমি কি তোমাদের মধ্যকার নিকৃষ্ট ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানাব না?” তাঁরা বললেন, “হ্যাঁ।” তিনি বললেন: “যারা চোগলখুরি করে বেড়ায়, যারা বন্ধুদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটায় এবং যারা নির্দোষ মানুষের দোষ ও কষ্ট খুঁজে বেড়ায়।” (মান: হাসান)

পরিচ্ছেদ: যে অশ্লীল কথা শুনল এবং তা রটিয়ে দিল

৩২৪. হযরত আলী ইবনে আবী তালিব (রা.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: “যে ব্যক্তি অশ্লীল কথা বলে এবং যে ব্যক্তি তা প্রচার করে বেড়ায়, তারা উভয়ই গুনাহর ক্ষেত্রে সমান।” (মান: হাসান)

৩২৫. শুবাইল ইবনে আউফ (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন, বলা হতো: “যে ব্যক্তি কোনো অশ্লীল কাজের কথা শুনল এবং তা মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিল, সে ওই ব্যক্তির মতোই (অপরাধী) যে তা শুরু করেছিল।” (মান: সহীহ)

৩২৬. আতা (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি মনে করতেন, “যে ব্যক্তি (প্রমাণ ছাড়া বা কুৎসা হিসেবে) ব্যভিচারের কথা ছড়িয়ে দেয়, তাকে শাস্তি দেওয়া উচিত। কারণ সে অশ্লীলতা প্রচার করেছে।” (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: ছিদ্রান্বেষী

« <
/ 122
> »