আদাবুল মুফরাদ

« <
/ 122
> »

তাদের কথার উত্তরে ‘ওয়া আলাইকুম’ (তোমাদের ওপরও তাই হোক) বলেছি। তাদের ব্যাপারে আমার দোয়া কবুল হবে, কিন্তু আমার ব্যাপারে তাদের (বদদোয়া) কবুল হবে না।” (মান: সহীহ)

৩১২. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “মুমিন ব্যক্তি কখনো খোঁটাদানকারী (طعان), লানতকারী (অভিশাপ দাতা), অশালীন বা কটুভাষী এবং নির্লজ্জ হয় না।” (মান: সহীহ)

৩১৩. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “দ্বিমুখী চরিত্রের অধিকারী (দুমুখো লোক) ব্যক্তির আমানতদার হওয়া সমীচীন নয়।” (মান: হাসান সহিহ)

৩১৪. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: “মুমিনের চরিত্রের সবচেয়ে নীচ বা নিকৃষ্ট দিক হলো অশালীনতা (নির্লজ্জ কথা বলা)।” (মান: সহীহ)

৩১৫. হযরত আলী ইবনে আবী তালিব (রা.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: “লানতকারীদের ওপর লানত বর্ষিত হোক।” বর্ণনাকারী মারওয়ান বলেন, এর অর্থ যারা মানুষকে অভিশাপ দিয়ে বেড়ায়। (মান: য‘ঈফ)

পরিচ্ছেদ: অভিশাপ দেওয়া

৩১৬. হযরত আবু দারদা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “নিশ্চয়ই যারা লানত বা অভিশাপ দিতে অভ্যস্ত, কিয়ামতের দিন তারা কারো জন্য সুপারিশকারী হতে পারবে না এবং সাক্ষ্যদানকারীও হতে পারবে না।” (মান: সহীহ)

৩১৭. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “একজন ছিদ্দিক (সত্যনিষ্ঠ) ব্যক্তির জন্য লানতকারী হওয়া শোভা পায় না।” (মান: সহীহ)

৩১৮. হযরত হুজায়ফা (রা.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: “যখনই কোনো সম্প্রদায় একে অপরকে লানত বা অভিশাপ দেয়, তখন তাদের ওপর সেই লানত কার্যকর হয়ে যায় (অর্থাৎ তারা রহমত থেকে দূরে সরে যায়)।” (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি তার দাসকে লানত করার পর মুক্ত করে দেয়

৩১৯. উম্মুল মুমিনীন হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত— একবার (তাঁর পিতা) হযরত আবু বকর (রা.) তাঁর কোনো এক দাসকে লানত দিলেন। তা শুনে নবী করীম ﷺ বললেন: “হে আবু বকর! লানতকারী হওয়া আর ছিদ্দিক হওয়া কি একসাথে চলে? কাবার রবের কসম, কখনোই না!” তিনি কথাটি দুই বা তিনবার বললেন। সেদিনই আবু বকর (রা.) তাঁর সেই দাসকে মুক্ত করে দিলেন। এরপর তিনি নবীজী ﷺ-এর কাছে এসে বললেন, “আমি আর কখনো এমন কাজ (লানত দেওয়া) করব না।” (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: আল্লাহর লানত, গজব

« <
/ 122
> »