২০ নম্বর হাদিস:
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি নবীজী ﷺ-এর কাছে এসে জিহাদে যাওয়ার অনুমতি চাইল। নবীজী ﷺ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, “তোমার পিতা-মাতা কি বেঁচে আছেন?” লোকটি উত্তর দিল, “জি, আছেন।”
নবীজী ﷺ তখন বললেন, “তবে তাঁদের সেবা-যত্ন ও দেখাশোনার মাধ্যমেই তুমি তোমার জিহাদ চালিয়ে যাও।” (অর্থাৎ তাঁদের সেবা করাই এখন তোমার জন্য জিহাদ)।
হাদিসের মান: সহীহ।
পরিচ্ছেদ: যে ব্যক্তি পিতা–মাতাকে পেয়েও জান্নাত পেল না
২১ নম্বর হাদিস:
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজী ﷺ বলেছেন: “সে লাঞ্ছিত হোক, সে ধূলিসাৎ হোক, সে ধ্বংস হোক!” সাহাবীগণ আরজ করলেন, “হে আল্লাহর রাসূল! সে কে?“
নবীজী ﷺ বললেন, “যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতা উভয়কে অথবা তাঁদের একজনকে বার্ধক্যে উপনীত অবস্থায় পেল, অথচ (তাঁদের সেবা করে জান্নাত নিশ্চিত করতে পারল না বলে) জাহান্নামে প্রবেশ করল।”
হাদিসের মান: সহীহ।
পরিচ্ছেদ: পিতা–মাতার প্রতি সদাচরণকারীর আয়ু বৃদ্ধি পায়
২২ নম্বর হাদিস:
হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজী ﷺ বলেছেন: “যে ব্যক্তি তার পিতা-মাতার সাথে সদাচরণ করে, তার জন্য সুসংবাদ! আল্লাহ তাআলা তার হায়াত বা আয়ু বৃদ্ধি করে দেন।”
হাদিসের মান: য‘ঈফ।
পরিচ্ছেদ: মুশরিক পিতার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা না করা
২৩ নম্বর হাদিস:
হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) আল্লাহ তাআলার এই বাণী— “তোমার কাছে তাঁদের একজন বা উভয়ই যদি বার্ধক্যে উপনীত হন, তবে তাঁদের ‘উফ’ বলো না…” থেকে “যেভাবে তাঁরা আমাকে শৈশবে লালন-পালন করেছেন” (সূরা বনী ইসরাঈল: ২৩-২৪) পর্যন্ত আয়াতগুলো সম্পর্কে বলেন: এই আয়াতের হুকুম (পিতা-মাতার জন্য দোয়া করা) সূরা তাওবাহ-র এই আয়াতটি দ্বারা রহিত বা সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে— “নবী ও মুমিনদের জন্য সংগত নয় যে, তারা মুশরিকদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করবে; তারা আত্মীয় হলেও…” (সূরা তাওবাহ: ১১৩)।
(দ্রষ্টব্য: অর্থাৎ মুশরিক পিতা-মাতা জীবিত থাকা অবস্থায় তাঁদের হেদায়েতের দোয়া করা যাবে এবং জাগতিক সেবা করা যাবে, কিন্তু শিরক অবস্থায় মারা গেলে তাঁদের জন্য মাগফিরাত বা জান্নাতের দোয়া করা যাবে না)
হাদিসের মান: হাসান।
পরিচ্ছেদ: মুশরিক পিতা–মাতার সাথে সদাচরণ
২৪ নম্বর হাদিস:
হযরত সাদ ইবনে
