অভিযোগকারী ব্যক্তিকে বললেন, “তুমি নিশ্চিন্ত থাকো (তোমার আর ভয় নেই)।” (মান: হাসান সহিহ)
১২৬. হযরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত— এক ব্যক্তি প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে প্রতিকার চাইতে নবী করীম ﷺ-এর কাছে এল। লোকটি যখন রুকন ও মাকামে ইব্রাহিমের মধ্যবর্তী স্থানে বসা ছিল, তখন নবীজী ﷺ এলেন। লোকটি দেখল, মাকামে ইব্রাহিমের কাছে (যেখানে জানাজার নামাজ পড়া হয়) নবীজী ﷺ সাদা পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির সাথে দাঁড়িয়ে কথা বলছেন। নবীজী ﷺ কাছে এলে লোকটি বলল, “হে আল্লাহর রাসূল! আমার মা-বাবা আপনার ওপর উৎসর্গ হোন, সাদা পোশাক পরিহিত ওই ব্যক্তিটি কে ছিলেন যাঁর সাথে আপনি কথা বলছিলেন?” তিনি বললেন, “তুমি কি তাকে দেখেছো?” সে বলল, “হ্যাঁ।” নবীজী ﷺ বললেন, “তুমি অনেক বড় কল্যাণ দেখেছো। তিনি ছিলেন আমার রবের দূত জিবরাইল (আ.)। তিনি আমাকে প্রতিবেশীর অধিকার সম্পর্কে এত তাকিদ দিচ্ছিলেন যে, আমার মনে হচ্ছিল— তিনি প্রতিবেশীকে ওয়ারিশ (উত্তরাধিকারী) বানিয়ে দেবেন।” (মান: য‘ঈফ)
পরিচ্ছেদ: যে প্রতিবেশীকে কষ্ট দিয়ে বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করে
১২৭. হযরত সাওবান (রা.) বলতেন: “দুজন ব্যক্তি যদি তিন দিনের বেশি কথাবার্তা বন্ধ (সম্পর্ক ছিন্ন) রাখে এবং ওই অবস্থায় তাদের একজনের মৃত্যু হয়, তবে তারা উভয়েই ধ্বংস হবে। আর যে প্রতিবেশী তার প্রতিবেশীর ওপর জুলুম ও নিপীড়ন চালায়—এমনকি সেই যন্ত্রণায় সে বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হয়—তবে সেই (জুলুমকারী) প্রতিবেশী অবশ্যই ধ্বংস হবে।” (মান: সহীহ)
পরিচ্ছেদ: ইহুদি প্রতিবেশী
১২৮. মুজাহিদ (রহ.) থেকে বর্ণিত— আমি হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.)-এর কাছে ছিলাম, তখন তাঁর গোলাম একটি বকরি জবাই করে চামড়া ছাড়াচ্ছিল। তিনি গোলামকে বললেন, “হে বৎস! কাজ শেষ হলে প্রথমে আমাদের ইহুদি প্রতিবেশীকে (গোশত) দেবে।” উপস্থিতদের মধ্য থেকে একজন বিস্ময়ে বলে উঠল, “ইহুদি প্রতিবেশীকে? (তাকে আগে দেবেন) আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন!” ইবনে আমর (রা.) বললেন, “আমি নবী করীম ﷺ-কে প্রতিবেশীর অধিকার সম্পর্কে এত তাকিদ দিতে শুনেছি যে, আমাদের ভয় হতে লাগল (অথবা মনে হলো) তিনি হয়তো প্রতিবেশীকে উত্তরাধিকারীই বানিয়ে দেবেন।” (মান: সহীহ)
পরিচ্ছেদ: মানুষের আভিজাত্য ও মর্যাদা
১২৯. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে জিজ্ঞেস করা হলো, “মানুষের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান কে?” তিনি বললেন: “আল্লাহর কাছে সবচেয়ে মর্যাদাবান সে-ই, যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মুত্তাকি
