আব্বাসকে জিজ্ঞেস করলাম, “আপনি কেন তাকে তার মায়ের কথা জিজ্ঞেস করেছিলেন?” তিনি উত্তরে বললেন, “আল্লাহর নৈকট্য লাভের জন্য মায়ের সেবা ও তাঁর প্রতি সদাচরণের চেয়ে শ্রেষ্ঠ কোনো কাজ আমার জানা নেই।”
হাদিসের মান: সহীহ।
পরিচ্ছেদ: পিতার প্রতি সদাচরণ
৫ নম্বর হাদিস:
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ ﷺ-কে জিজ্ঞেস করা হলো, “হে আল্লাহর রাসূল! আমি কার সাথে সবচাইতে বেশি সদাচরণ করব?” তিনি বললেন, “তোমার মায়ের সাথে।” জিজ্ঞেস করা হলো, “তারপর কার সাথে?” তিনি বললেন, “তোমার মায়ের সাথে।” আবারও জিজ্ঞেস করা হলো, “তারপর কার সাথে?” তিনি বললেন, “তোমার মায়ের সাথে।” অবশেষে চতুর্থবার জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, “তোমার পিতার সাথে।”
হাদিসের মান: সহীহ।
৬ নম্বর হাদিস:
হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, এক ব্যক্তি আল্লাহর নবী ﷺ-এর কাছে এসে আবেদন করল, “আপনি আমাকে কী নির্দেশ দেন?” নবীজী ﷺ বললেন, “তোমার মায়ের সেবা করো।” লোকটি আবারও একই প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, “তোমার মায়ের সেবা করো।” সে পুনরায় জানতে চাইলে তিনি আবারও বললেন, “তোমার মায়ের সেবা করো।” অবশেষে চতুর্থবার তিনি বললেন, “তোমার পিতার সেবা করো।”
হাদিসের মান: সহীহ।
পরিচ্ছেদ: পিতা–মাতা জুলুম করলেও তাঁদের সেবা করা
৭ নম্বর হাদিস:
হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন: “যে কোনো মুসলিমের মুসলিম পিতা-মাতা বার্ধক্যে উপনীত হন এবং সে সওয়াবের আশায় তাঁদের সেবা-যত্ন করে দিন শুরু করে, আল্লাহ তাআলা তার জন্য জান্নাতের দুটি দরজা খুলে দেন। যদি পিতা-মাতার মধ্যে একজন জীবিত থাকেন, তবে একটি দরজা খুলে দেওয়া হয়। পক্ষান্তরে, সে যদি তাঁদের কাউকে অসন্তুষ্ট করে, তবে আল্লাহ ততক্ষণ পর্যন্ত তার ওপর সন্তুষ্ট হন না, যতক্ষণ না সেই পিতা বা মাতা তার ওপর সন্তুষ্ট হন।”
প্রশ্ন করা হলো, “তারা যদি সন্তানের ওপর জুলুম করে তবুও কি এই কথা প্রযোজ্য?“
তিনি উত্তরে বললেন, “হ্যাঁ, যদি তারা জুলুমও করে, তবুও।”
হাদিসের মান: য‘ঈফ।
পরিচ্ছেদ: পিতা–মাতার সাথে নরম সুরে কথা বলা
৮ নম্বর হাদিস:
তয়সালা ইবনে মাইয়াস (র.) বর্ণনা করেন, আমি ‘নাজদাত’ (একটি খারেজী দল) সম্প্রদায়ের সাথে ছিলাম। তখন আমি এমন কিছু
