যেতে, তবে সেখানে আমাকেই পেতে (অর্থাৎ আমার সন্তুষ্টি ও বিশেষ রহমত পেতে)।” (মান: সহীহ)
৫১৮. হযরত আবু সাঈদ (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “তোমরা রোগী দেখতে যাও এবং জানাজায় অংশ নাও। কেননা এটি তোমাদের আখেরাতের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে।” (মান: সহীহ)
৫১৯. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “তিনটি কাজ প্রতিটি মুসলিমের ওপর হক (কর্তব্য): ১. রোগীকে দেখতে যাওয়া, ২. জানাজায় উপস্থিত হওয়া এবং ৩. হাঁচিদাতার উত্তর দেওয়া (আলহামদুলিল্লাহ বললে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলা)।” (মান: সহীহ)
পরিচ্ছেদ: রোগী দেখতে গিয়ে তার আরোগ্যের জন্য দোয়া করা
৫২০. সা‘দ ইবনে আবি ওয়াক্কাস (রা.) থেকে বর্ণিত— রাসূলুল্লাহ ﷺ মক্কায় (বিদায় হজের সময়) সা‘দকে দেখতে গেলেন। সা‘দ (রা.) তখন কাঁদছিলেন। নবীজী ﷺ জিজ্ঞেস করলেন, “তুমি কাঁদছো কেন?” তিনি বললেন, “আমি ভয় পাচ্ছি যে, যে দেশ (মক্কা) থেকে আমি হিজরত করে চলে গিয়েছি সেখানেই না মারা যাই (যেমন সা‘দ ইবনে খাওলা মক্কায় মারা গিয়েছিলেন)।” তখন নবীজী ﷺ তিনবার বললেন: “হে আল্লাহ! আপনি সা‘দকে আরোগ্য দান করুন।” এরপর সা‘দ (রা.) বললেন, “আমার অনেক সম্পদ আছে, কিন্তু আমার দুই কন্যা ছাড়া আর কোনো ওয়ারিশ নেই। আমি কি আমার সব সম্পদ অসিয়ত করে দেব?” নবীজী ﷺ বললেন: “না।” সা‘দ বললেন, “তবে দুই-তৃতীয়াংশ?” তিনি বললেন: “না।” সা‘দ বললেন, “তবে অর্ধেক?” তিনি বললেন: “না।” সা‘দ বললেন, “তবে এক-তৃতীয়াংশ?” নবীজী ﷺ বললেন: “এক-তৃতীয়াংশ করতে পারো, আর এক-তৃতীয়াংশও অনেক। তোমার সম্পদ থেকে তোমার দান হলো সদকা, তোমার পরিবারের জন্য তোমার খরচ হলো সদকা, এমনকি তোমার স্ত্রী তোমার দস্তরখান থেকে যা খায় তাও তোমার জন্য সদকা। তুমি তোমার পরিবারকে সচ্ছল অবস্থায় রেখে যাওয়া তাদের নিঃস্ব অবস্থায় মানুষের কাছে হাত পাতার মতো রেখে যাওয়ার চেয়ে অনেক উত্তম।” এবং তিনি হাত দিয়ে ইশারা করলেন। (মান: সহীহ)
পরিচ্ছেদ: রোগী দেখার ফজিলত
৫২১. হযরত সাওবান (রা.) থেকে বর্ণিত— রাসূলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করেছেন: “যে ব্যক্তি তার (অসুস্থ) ভাইকে দেখতে যায়, সে জান্নাতের ‘খুরফা‘র মধ্যে থাকে।” বর্ণনাকারী আবু কিলাবা (রহ.)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, জান্নাতের খুরফা কী? তিনি বললেন, “জান্নাতের ফলসমূহ (অর্থাৎ সে জান্নাতের ফল আহরণ করতে থাকে)।” (মান: সহীহ)
পরিচ্ছেদ: রোগী ও রোগী দেখতে আসা ব্যক্তির কথোপকথন
৫২২. হযরত
