আদাবুল মুফরাদ

« <
/ 122
> »

এতে আমার জ্ঞান ফিরে আসলো এবং দেখলাম নবীজী ﷺ সামনে দাঁড়িয়ে। আমি বললাম, “ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি আমার সম্পদের ব্যাপারে কী করব? কীভাবে আমার সম্পদের ফয়সালা করব?” তিনি আমাকে কোনো উত্তর দিলেন না, যতক্ষণ না মিরাসের (উত্তরাধিকার) আয়াত নাযিল হলো। (মান: সহীহ)

 

পরিচ্ছেদ: শিশুদের অসুস্থ অবস্থায় দেখতে যাওয়া

৫১২. হযরত উসামা ইবনে যায়েদ (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ-এর এক কন্যার (জয়নব রা.) শিশু সন্তান মরণাপন্ন অবস্থায় ছিল। তিনি নবীজীর কাছে খবর পাঠালেন যে, আমার সন্তান মৃত্যুশয্যায়। নবীজী ﷺ সংবাদবাহককে বললেন: “তুমি গিয়ে তাকে বলো—যা আল্লাহ নিয়ে যান তা তাঁরই, আর যা তিনি দান করেন তাও তাঁর। প্রত্যেকের জন্য তাঁর কাছে একটি নির্দিষ্ট সময় নির্ধারিত রয়েছে। সুতরাং সে যেন ধৈর্য ধরে এবং সওয়াবের আশা করে।”

 

সংবাদবাহক ফিরে গিয়ে তা জানাল। কিন্তু কন্যাটি পুনরায় কসম দিয়ে নবীজীকে আসার জন্য অনুরোধ পাঠালেন। তখন নবীজী ﷺ তাঁর কয়েকজন সাহাবীকে (যাদের মধ্যে সাদ ইবনে উবাদা রা. ছিলেন) নিয়ে উঠে দাঁড়ালেন। নবীজী ﷺ শিশুটিকে কোলে নিলেন এবং নিজের বুকের সাথে লাগালেন। তখন শিশুটির শ্বাসকষ্টের শব্দ শোনা যাচ্ছিল। তা দেখে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর দুই চোখ দিয়ে অশ্রু ঝরতে লাগল। সাদ (রা.) বললেন, “হে আল্লাহর রাসূল! আপনিও কাঁদছেন?” তিনি বললেন: “আমি তো তার প্রতি মমতায় কাঁদছি। নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মধ্যে কেবল দয়ালু ব্যক্তিদেরই দয়া করেন।” (মান: সহীহ)

 

পরিচ্ছেদ: অসুস্থদের তদারকিকারীর প্রতি সদাচরণ

৫১৩. ইব্রাহিম ইবনে আবি আবলা (রহ.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন: আমার স্ত্রী অসুস্থ হয়ে পড়ল। আমি তখন (সাহাবী আবুদ্দারদা রা.-এর স্ত্রী) উম্মে দারদা (রা.)-এর কাছে যেতাম। তিনি আমাকে জিজ্ঞেস করতেন, “তোমার পরিবারের (স্ত্রীর) কী খবর?” আমি বলতাম, “এখনও অসুস্থ।” তখন তিনি আমার জন্য খাবার আনার নির্দেশ দিতেন এবং আমি খেতাম। এরপর একদিন আমি আবার আসলাম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “এখন খবর কী?” আমি বললাম, “এখন সুস্থতার দিকে।” তিনি বললেন, “তুমি যখন বলতে যে তারা অসুস্থ, তখন আমি তোমার জন্য খাবার আনতাম (যাতে সেবার ব্যস্ততায় তোমার কষ্টের না হয়)। এখন যেহেতু তারা সুস্থ হয়ে গেছে, তাই তোমার জন্য আর খাবারের ব্যবস্থা করছি না।” (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: বেদুইন (পল্লী অঞ্চলের মানুষ) রোগীকে দেখতে যাওয়া

৫১৪.

« <
/ 122
> »