আদাবুল মুফরাদ

« <
/ 122
> »

তিনি বললেন: “হে আল্লাহ! আমাকে আপনার নিকটবর্তীদের (মুক্বাররাবীন) অন্তর্ভুক্ত করুন এবং আমার মাতাকে হুরুল ঈনদের সঙ্গিনী করুন।” (মান: সহীহ)

৫০৫. আতা ইবনে আবি রাবাহ (রহ.) থেকে বর্ণিত— হযরত ইবনে আব্বাস (রা.) আমাকে বললেন, “আমি কি তোমাকে একজন জান্নাতী মহিলা দেখাব?” আমি বললাম, “অবশ্যই।” তিনি এক কৃষ্ণাঙ্গ মহিলার দিকে ইশারা করে বললেন, “এই মহিলাটি নবীজী ﷺ-এর কাছে এসে বলেছিলেন: ‘আমি মৃগী রোগে আক্রান্ত হই এবং (বেহুঁশ অবস্থায়) আমার শরীর অনাবৃত হয়ে যায়। আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।’ নবীজী ﷺ বললেন: ‘তুমি চাইলে ধৈর্য ধরতে পারো, যার বিনিময়ে তোমার জন্য জান্নাত রয়েছে। আর চাইলে আমি তোমার আরোগ্যের জন্য দোয়া করতে পারি।’ মহিলাটি বললেন, ‘আমি ধৈর্যই ধরব।’ এরপর তিনি বললেন, ‘তবে আমার শরীর যেন অনাবৃত না হয় সে দোয়া করুন।’ নবীজী ﷺ তাঁর জন্য সেই দোয়া করলেন।” (মান: সহীহ)

৫০৬. ইবনে জুরাইজ (রহ.) বলেন— তিনি সেই মহিলাকে (উম্মে জুফার) কাবার সিঁড়িতে দেখেছিলেন; তিনি ছিলেন দীর্ঘদেহী ও কৃষ্ণাঙ্গ। এছাড়া হযরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত— নবীজী ﷺ বলতেন: “মুমিনের গায়ে কাঁটা বা তার চেয়ে বড় কিছু বিঁধলে তা তার গুনাহের কাফফারা হয়ে যায়।” (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: অসুস্থতার মাধ্যমে গুনাহ মোচন

৫০৭. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— রাসূলুল্লাহ ﷺ এরশাদ করেছেন: “কোনো মুসলিম যখন দুনিয়াতে একটি কাঁটা বিঁধলেও সওয়াবের আশায় ধৈর্য ধরে (ইহতিসাব), কিয়ামতের দিন এর বিনিময়ে তার গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেওয়া হবে।” (মান: সহীহ)

 

৫০৮. হযরত জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত— তিনি বলেন, আমি নবী করীম ﷺ-কে বলতে শুনেছি: “কোনো মুমিন নর-নারী বা মুসলিম নর-নারী যখনই কোনো রোগে আক্রান্ত হয়, আল্লাহ তাআলা এর বিনিময়ে তার গুনাহসমূহ ঝরিয়ে দেন।” (মান: সহীহ)

 

পরিচ্ছেদ: রোগী যদি বলে ‘আমি ব্যথিত/অসুস্থ‘, তবে কি তা অভিযোগ হবে?

৫০৯. হিশাম ইবনে উরওয়াহ (রহ.) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন— তিনি বলেন: আমি এবং (প্রখ্যাত সাহাবী) আবদুল্লাহ ইবনুল জুবাইর (রা.) তাঁর মা হযরত আসমা (রা.)-এর কাছে গেলাম। এটি ছিল আবদুল্লাহ (রা.) শহীদ হওয়ার মাত্র দশ দিন আগের ঘটনা। আসমা (রা.) তখন ভীষণ অসুস্থ ছিলেন। আবদুল্লাহ (রা.) তাঁকে জিজ্ঞেস করলেন, “মা! আপনি কেমন বোধ করছেন?” তিনি বললেন, “আমি ব্যথিত (অসুস্থ)।” আবদুল্লাহ (রা.) বললেন,

« <
/ 122
> »