আদাবুল মুফরাদ

« <
/ 122
> »

সা’দকে সুস্থ করে দিন এবং তার হিজরতকে পূর্ণতা দিন।” সা’দ (রা.) বলেন: “নবীজীর হাতের সেই শীতল পরশ আমি আজও আমার কলিজায় অনুভব করি।” (মান: সহীহ)

পরিচ্ছেদ: অসুস্থ অবস্থায়ও সুস্থ থাকাকালীন আমলের সওয়াব লেখা হয়

৫০০. হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “যে ব্যক্তিই অসুস্থ হয়, তার আমলনামায় ঠিক তেমনই সওয়াব লেখা হতে থাকে যা সে সুস্থ অবস্থায় (নিয়মিত) আমল করত।” (মান: সহীহ)

 

৫০১. হযরত আনাস ইবনে মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত— নবী করীম ﷺ এরশাদ করেছেন: “কোনো মুসলিম যখন শারীরিক কষ্টে পতিত হয়, তখন সে সুস্থ অবস্থায় যে নেক আমল করত আল্লাহ তার জন্য তা লিখে রাখেন। অতঃপর আল্লাহ যদি তাকে আরোগ্য দান করেন, তবে তাকে পবিত্র করে দেন (পাপমুক্ত করেন); আর যদি তাকে মৃত্যু দেন, তবে তাকে ক্ষমা করে দেন।” (মান: হাসান সহিহ)

পরিচ্ছেদ: অসুস্থতা ও জান্নাতের বিনিময়

৫০২. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত— (একবার আরবের রূপক বর্ণনা অনুযায়ী) ‘জ্বর’ নবীজী ﷺ-এর কাছে এসে আবেদন করল, “আমাকে আপনার সবচেয়ে প্রিয় পরিবার বা লোকদের কাছে পাঠান।” তিনি তাকে আনসারদের কাছে পাঠিয়ে দিলেন। টানা ছয় দিন ও রাত তারা জ্বরে আক্রান্ত থাকলেন। কষ্ট তীব্র হলে নবীজী ﷺ তাদের ঘরে ঘরে গিয়ে প্রত্যেকের জন্য সুস্থতার দোয়া করলেন। ফেরার পথে এক আনসারী মহিলা এসে বললেন, “যিনি আপনাকে সত্যসহ পাঠিয়েছেন তাঁর কসম! আমিও আনসার এবং আমার পিতাও আনসার। তাঁদের মতো আমার জন্যও দোয়া করুন।” নবীজী ﷺ বললেন: “তুমি যা চাও; চাইলে আমি আল্লাহর কাছে তোমার সুস্থতার দোয়া করব, আর চাইলে তুমি ধৈর্য ধরো—তবে তোমার জন্য জান্নাত।” মহিলাটি বললেন, “বরং আমি ধৈর্যই ধরব এবং জান্নাতের বিনিময়ে অন্য কিছু চাই না।” (মান: সহীহ)

৫০৩. হযরত আবু হুরায়রা (রা.) বলতেন: “অন্য কোনো রোগের চেয়ে জ্বর হওয়া আমার কাছে বেশি প্রিয়। কারণ জ্বর আমার প্রতিটি অঙ্গে প্রবেশ করে, আর আল্লাহ এর বিনিময়ে আমার প্রতিটি অঙ্গকে সওয়াবের অংশ দান করেন।” (মান: সহীহ)

৫০৪. আবু নুহাইলা (রহ.)-কে একবার বলা হলো, “আল্লাহর কাছে দোয়া করুন।” তিনি বললেন: “হে আল্লাহ! আমার রোগ কমিয়ে দিন, কিন্তু (তার বিনিময়ে প্রাপ্য) সওয়াব কমিয়ে দেবেন না।” লোকেরা পুনরায় দোয়া করতে বললে

« <
/ 122
> »