“না! আল্লাহ সুন্দর, তিনি সৌন্দর্য পছন্দ করেন। অহংকার হলো—সত্যকে অস্বীকার করা এবং মানুষকে তুচ্ছজ্ঞান করা।” [সহীহ মুসলিম]
অহংকারের ব্যাখ্যা হলো—সত্যকে জানা ও চেনার পরও তা প্রত্যাখ্যান করা এবং মানুষকে অবজ্ঞা ও তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে দেখা। তবে আল্লাহর শত্রুদের অর্থাৎ পাপাচারী, খেয়ানতকারী ও বিদআতিদের ঘৃণা করা বা তাদের গুরুত্ব না দেওয়া এই নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত নয়। কারণ বিদআতিরা আল্লাহর দ্বীনের মধ্যে নতুন কিছু সংযোজন করে এবং ধারণা করে যে তারা ভালো কাজ করছে।
সুগন্ধি ভালোবাসা বৃদ্ধি করে
দাম্পত্য জীবনে পারস্পরিক আকর্ষণ ও হৃদ্যতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে সুগন্ধির ভূমিকা অপরিসীম। এটি কেবল একটি প্রসাধন নয়, বরং সুন্নাহর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রাসূলে কারীম (সা.) ইরশাদ করেছেন:
“তোমাদের এই দুনিয়া থেকে আমার কাছে ‘নারী ও সুগন্ধি’ প্রিয় করা হয়েছে; আর আমার চোখের শীতলতা রাখা হয়েছে নামাজের মধ্যে।” [মুসনাদ আহমাদ, সুনানুন নাসাঈ ও বায়হাকী]
সুগন্ধির মনস্তাত্ত্বিক ও দাম্পত্য প্রভাব
কোনো কোনো আলেম বলেন—স্ত্রীর সাজসজ্জা ও সুগন্ধি ব্যবহার স্বামীর মনে ভালোবাসা ও হৃদ্যতা সৃষ্টির অন্যতম প্রধান কারণ। এটি তাদের মাঝে অনীহা ও দূরত্ব দূর করে। কারণ মানুষের চোখ ও নাক হলো হৃদয়ের পথপ্রদর্শক। চোখ যখন কোনো সুন্দর দৃশ্য দেখে বা নাক যখন চমৎকার সুঘ্রাণ পায়, তখন হৃদয়ে ভালোবাসার জন্ম হয়। আর যদি কোনো কুৎসিত দৃশ্য বা দুর্গন্ধ পায়, তবে হৃদয়ে বিতৃষ্ণা ও ঘৃণার উদ্রেক ঘটে।
এজন্যই আরব নারীরা একে অপরকে উপদেশ দিতেন— “সাবধান! তোমার স্বামীর দৃষ্টি যেন তোমার কোনো কুৎসিত অঙ্গে না পড়ে এবং সে যেন তোমার থেকে কোনো দুর্গন্ধ না পায়!”
সুগন্ধি ব্যবহারে আমাদের পরামর্শ
সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু কৌশলী ও সতর্কতামূলক দিক খেয়াল রাখা প্রয়োজন:
১. বৈচিত্র্য আনা: সবসময় একই সুগন্ধি ব্যবহার না করে মাঝে মাঝে তা পরিবর্তন করা উচিত। অন্যথায় তা অভ্যাসে পরিণত হয়ে একঘেয়েমি তৈরি করতে পারে এবং এর বিশেষ আবেদন হারিয়ে যেতে পারে।
২. সঙ্গীর পছন্দকে প্রাধান্য দেওয়া: নিজের পছন্দের চেয়ে জীবনসঙ্গীর পছন্দের সুগন্ধিকে বেশি প্রাধান্য দেওয়া উচিত; কারণ সুগন্ধি ব্যবহারের অন্যতম মূল উদ্দেশ্য হলো সঙ্গীকে তৃপ্ত করা ও আনন্দ দেওয়া।
৩. অ্যালকোহলযুক্ত সুগন্ধি বিষয়ে সতর্কতা: অ্যালকোহলযুক্ত সুগন্ধি বা সেন্ট ব্যবহারে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। কারণ এটি মদের পর্যায়ভুক্ত এবং হাদীস শরীফে মদ
