ধ্বংস করেছে, তাই ঘরের সেই পাথর দিয়েই তাকে মারা উচিত।”
ব্যভিচার থেকে বাঁচার ১৬টি উপায়
ইমাম ইবনুল কায়্যিম (রহ.) কুপ্রবৃত্তি ও মোহ থেকে বাঁচার জন্য ৫০টি উপায়ের কথা উল্লেখ করেছেন। তার মধ্য থেকে উল্লেখযোগ্য কিছু নিচে দেওয়া হলো:
১. একজন স্বাধীন ও আত্মমর্যাদাবান মানুষের মতো সুদৃঢ় সংকল্প করা।
২. ধৈর্যের তিক্ত ঢোক গেলা; সেই সাময়িক মুহূর্তের তিক্ততা সহ্য করা।
৩. সেই ধৈর্যের ঢোক গেলার মতো মানসিক সাহস রাখা। মনে রাখা উচিত, সাহস হলো কেবল এক মুহূর্তের ধৈর্যের নাম।
৪. পাপাচারের পরিণাম ও এর ভয়াবহতা নিয়ে চিন্তা করা।
৫. পাপের সাময়িক আনন্দের চেয়ে এর পরবর্তী যন্ত্রণার আধিক্য অনুভব করা।
৬. আল্লাহর কাছে নিজের মর্যাদা এবং মানুষের অন্তরে নিজের সম্মানটুকু ধরে রাখার কথা ভাবা।
৭. পাপের স্বাদের চেয়ে সতীত্বের স্বাদ ও গাম্ভীর্যকে প্রাধান্য দেওয়া।
৮. নিজের পরম শত্রু শয়তানকে পরাজিত করার আনন্দ অনুভব করা।
৯. এই কথা ভাবা যে, মানুষ কেবল কামনাবাসনা পূরণের জন্য সৃষ্টি হয়নি; বরং এক মহান কাজের (ইবাদত) জন্য তাকে তৈরি করা হয়েছে। জনৈক কবি বলেছেন—
“তোমাকে সৃষ্টি করা হয়েছে এক মহান কাজের তরে,
যদি তুমি বুঝতে! তবে নিজেকে পশুর মতো ছেড়ে দিও না।”
১০. পশুর চেয়ে নিজের অবস্থাকে উত্তম রাখা। কারণ একটি পশুও তার স্বভাবজাত বুদ্ধিতে তার জন্য ক্ষতিকর ও উপকারী জিনিসের মাঝে পার্থক্য করতে পারে।
১১. কুপ্রবৃত্তির পরিণাম নিয়ে ভাবা—কত মর্যাদা এটি ধূলিসাৎ করেছে, কত লাঞ্ছনায় ফেলেছে এবং এক মুহূর্তের স্বাদ কত দীর্ঘস্থায়ী লজ্জা ও অপমানের কারণ হয়েছে!
১২. মোহগ্রস্ত ব্যক্তি যদি কল্পনা করে যে—তার লালসা পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর তার অবস্থা কেমন হবে এবং সে কী হারাল আর কী পেল, তবেই সে সত্য বুঝতে পারবে।
১৩. অন্যের ক্ষেত্রে এই পাপের পরিণাম কেমন হয়েছে তা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা এবং নিজেকে সেই জায়গায় কল্পনা করা।
১৪. নফস যা চাচ্ছে, সে সম্পর্কে নিজের বিবেক ও দ্বীনকে প্রশ্ন করা। তারা পরিষ্কার বলে দেবে যে—এটি কিছুই নয়, কেবল ধ্বংস। আবদুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রা.) বলতেন— “তোমাদের কারো যদি কোনো নারী দেখে ভালো লাগে, তবে সে যেন তার দেহের দুর্গন্ধ ও অপবিত্রতার কথা স্মরণ করে (অর্থাৎ মানুষের দেহের নশ্বরতা ও ভেতরে লুকিয়ে থাকা
