হয়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলল। তখন সেই বন্ধু আর ওই স্ত্রীর মাঝে কামনার খেলা শুরু হলো। মদের নেশায় আচ্ছন্ন স্ত্রী নিজেকে সঁপে দিল এবং নিজের স্বামীর পাশেই সে সম্ভ্রম হারাল!
পারিবারিক বান্ধবীর ঝুঁকিও কিন্তু বন্ধুর চেয়ে কম নয়। ফ্লোরিডায় উচ্চবিত্ত সমাজে ঘটে যাওয়া একটি জঘন্য অপরাধের কথা বলা যাক—এক নারী তাঁর স্বামীর মাধ্যমে এক তরুণ ডাক্তারের সাথে পরিচিত হন। স্বামী প্রায়ই স্ত্রীকে নিয়ে সেই ক্লাবে যেতেন যেখানে ওই ডাক্তার আসতেন। আধুনিক সমাজের রীতি অনুযায়ী স্ত্রী সেই তরুণের (অ্যান্টন) সাথে নাচতেন। এভাবে মেলামেশার ফলে তাঁদের মাঝে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং তাঁরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়াল স্বামী ও তাঁদের দুই সন্তান। সেই ডাক্তার বন্ধু স্ত্রীকে প্ররোচনা দিল খাবারে বিষ মিশিয়ে তাঁদের হত্যা করতে। স্ত্রী সেই জঘন্য কাজই করলেন এবং প্রেমিকের সাথে গাড়িতে করে পালিয়ে গেলেন। পরে পুলিশ যখন তাঁদের তাড়া করল, তখন রাস্তার পাশের এক খাদে তাঁদের বিকৃত লাশ পাওয়া গেল। গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে গিয়ে জ্বালানি ট্যাঙ্কি বিস্ফোরিত হয়েছিল। দুনিয়াতেই তাঁদের দ্রুত বিচার হয়ে গেল। [মাজাল্লাতু ‘হাদারাতুল ইসলাম’, সংখ্যা ৪, বর্ষ ৪]। অবাধ মেলামেশার কুফলের হাজারো উদাহরণের মাঝে এটি একটি। উপদেশ গ্রহণ করার মতো কেউ কি আছে?
উপসংহার
তাবাররুজ বা বেপর্দা চলাফেরার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি
পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা মুমিন নারীদের জন্য পর্দার বিধান স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন:
“হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীগণকে, কন্যাগণকে ও মুমিনদের নারীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দাংশ নিজেদের ওপর টেনে দেয়। এতে তাদের চেনা সহজ হবে, ফলে তাদের উত্ত্যক্ত করা হবে না।” [সূরাহ আল-আহজাব: ৫৯]
এই আয়াতের ব্যাখ্যায় ‘আল-ইসলাম ওয়াল হায়াতুল জিনসিয়্যাহ’ গ্রন্থে বলা হয়েছে— কুরআনের এই বিধান যা নারীকে পর্দা ও আবৃত থাকার আহ্বান জানায়, তার সুফল কেবল মানসিক প্রশান্তির মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এতে এক বিরাট সামাজিক সমাধান নিহিত রয়েছে। এটি মূলত ‘বিবাহ-সংকট’-এর এক কার্যকর সমাধান!
আজকের এই বিবাহ-সংকটের অন্যতম মূল কারণ হলো সেই নগ্নতা, যা সমুদ্র সৈকত, সভা-সমাবেশ, রাস্তাঘাট কিংবা পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে পুরুষদের চোখের সামনে অহরহ ভেসে বেড়ায়। নারীরা আজ কাপড় পরেও উলঙ্গ। সবকিছুই যেন আজ অবারিত… চারদিকে শুধু উন্মুক্ত শরীর। কেবল মিষ্টি কথা বা মিথ্যা প্রলোভনের বিনিময়েই যেন
