করল: ‘আল্লাহর কসম! আপনার মতো এমন একজন বিজ্ঞ মানুষ এই পাগলের বেশে কেন?’ সে বলল: ‘আমি কি তোমাকে শর্ত দিইনি যে অদরকারী প্রশ্ন করবে না?’ লোকটির জোরাজুরিতে সে অবশেষে বলল: ‘আমাকে বিচারপতি (কাজী) হওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল, আমি সেই পদের চেয়ে এই পাগল হওয়াকেই শ্রেয় মনে করেছি!’ এই বলে সে লাঠি-ঘোড়া ছুটিয়ে চলে গেল।
আরব সমাজে প্রচলিত মন্দ স্ত্রীর কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা সতর্কতার জন্য উল্লেখ করা হলো। উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) বলেছেন: তিনটি বিষয় চরম বিপদজনক— ১. এমন প্রতিবেশী যে ভালো কিছু দেখলে গোপন রাখে আর মন্দ কিছু দেখলে প্রচার করে বেড়ায়। ২. এমন স্ত্রী যে সামনে থাকলে কটু কথায় জর্জরিত করে, আর আড়ালে গেলে যার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকা যায় না। ৩. এমন শাসক যে ভালো করলে প্রশংসা করে না, আর সামান্য ভুল করলে প্রাণদণ্ড দেয়।
খালিদ আল-হাদ্দা বর্ণনা করেন— আমি বনী আসাদ বংশের এক নারীর বিয়ের প্রস্তাব দিলাম এবং তাকে দেখার জন্য গেলাম। আমার ও তার মাঝে একটি পাতলা পর্দা ছিল। সে এক বিশাল পাত্রভর্তি গোশত-রুটির খাবার আনাল এবং তা একাই শেষ করল। এরপর এক পাত্র দুধ আনাল এবং তা-ও সাবাড় করল। এরপর সে বলল: ‘দাসী, পর্দা সরিয়ে দাও।’ পর্দা সরতেই দেখলাম সে একটি সিংহের চামড়ার ওপর বসে আছে; সে দেখতে অত্যন্ত সুন্দরী ও তরুণী। সে বলল: ‘হে আল্লাহর বান্দা! আমি বনী আসাদ বংশের এক সিংহী; এটাই আমার আহার আর এটাই আমার পানীয়। যদি হিম্মত থাকে তবে অগ্রসর হও।’ আমি বললাম: ‘আমি আল্লাহর কাছে ইস্তেখারা করে দেখছি।’ এ কথা বলে আমি বেরিয়ে এলাম এবং আর কোনোদিন ফিরলাম না!
এক বেদুইন তার কদাকার ও বদমেজাজী স্ত্রীর বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেছে— “আল্লাহ সেই রাতকে বরকতহীন করুন যা আমাকে তার শয্যার কাছে নিয়ে যায়, তাকে স্পর্শ করা যেন খসখসে দড়ি দিয়ে শরীর ঘষার মতো যন্ত্রণা! অন্ধকারে তার শরীরে হাত দিলে মনে হয় কোনো খুঁটি স্পর্শ করলাম; তার প্রতিটি অঙ্গ যেন এক একটি শিং—যা তার সঙ্গীর দেহকে ক্ষতবিক্ষত করে দেয়।” আরেক আরব কবি এক নারীর নিন্দা করে বলেছেন— “আল্লাহর কসম! তার কথা মিষ্টি নয়, তার যৌবন অটুট নয়, সে সন্তানবতীও নয়; তার
