তাকে সময় দেওয়া। একটি হাদীসে বলা হয়েছে— “তোমাদের কেউ যেন পশুর মতো স্ত্রীর ওপর ঝাঁপিয়ে না পড়ে; বরং তাদের মাঝে যেন এক বার্তাবাহক থাকে—আর তা হলো চুম্বন ও মিষ্টি কথা!” নবী (সা.) আরও বলেছেন— “ইসলামে কোনো ক্ষতি করা নেই এবং ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াও নেই।” সুতরাং স্ত্রীর চাহিদাকে অবহেলা করা মূলত তার ওপর জুলুম করার শামিল।
যাদের দ্রুত বীর্যপাত (Premature Ejaculation) হয়ে যায়, তাদের জন্য কিছু কার্যকরী পরামর্শ নিচে দেওয়া হলো:
আগে আদর ও সোহাগ: সহবাসের সময় তাড়াহুড়ো না করে আগে স্ত্রীকে দীর্ঘক্ষণ আদর ও সোহাগ করা উচিত। আর স্ত্রীর উচিত হবে স্বামী প্রস্তুত না হওয়া পর্যন্ত তাকে মানসিকভাবে শান্ত রাখা।
পদ্ধতিগত কৌশল: দ্রুত বীর্যপাত রোধ করার একটি সহজ কৌশল হলো—প্রেম নিবেদনের সময় মাঝে মাঝে পুরুষাঙ্গ ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে নেওয়া। এতে বীর্যপাত বিলম্বিত হয়। পাশাপাশি মিলনের সময় স্ত্রীর যোনিপথের পিচ্ছিলতা ও প্রসারণ যদি খুব বেশি হয়, তবে পরিচ্ছন্ন কাপড় দিয়ে তা মুছে নেওয়া যেতে পারে।
ইমাম গাজ্জালী (রহ.)-এর নসিহত: তিনি তাঁর ‘এহ্ইয়াউ উলুমিদ্দীন’ গ্রন্থে লিখেছেন— স্বামীর বীর্যপাত হয়ে গেলেও তার উচিত স্ত্রীকে সময় দেওয়া যেন স্ত্রীও তার তৃপ্তি লাভ করতে পারে। কারণ স্ত্রীর বীর্যপাত অনেক সময় দেরি হতে পারে। এমতাবস্থায় স্ত্রীকে ফেলে উঠে যাওয়া তাকে কষ্ট দেওয়ার শামিল। উভয়ের তৃপ্তি যদি একই সময়ে ঘটে তবে তা নারীর জন্য অধিকতর আনন্দদায়ক; কারণ তখন স্বামী নিজের অবস্থা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় স্ত্রী লজ্জা পায় না।
আধুনিক সমাধান: ‘তাবিীবুক’ (Tabibuk) সাময়িকীতে বলা হয়েছে— দ্রুত বীর্যপাত সম্ভবত পুরুষদের মাঝে সবচেয়ে সাধারণ যৌন সমস্যা। যাদের বয়স কম এবং যারা কেবল উত্তেজনার আতিশয্যে এই সমস্যায় ভোগেন, তারা অল্প সময়ের ব্যবধানেই দ্বিতীয়বার চেষ্টা করতে পারেন; কারণ দ্বিতীয়বারের মিলন সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয়। তবে অন্যদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিছু বিশেষ মলম (Anesthetic Creams) উপকারী হতে পারে। মিলনের আগে এগুলো ব্যবহার করলে সংবেদনশীলতা কমে আসে এবং দীর্ঘক্ষণ মিলন সম্ভব হয়।
দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার সমাধানকল্পে কিছু কার্যকর পদ্ধতি
দ্রুত বীর্যপাত রোধ করার জন্য অনেক পুরুষই মিলনের তীব্র উত্তেজনার মুহূর্তে মনকে অন্যদিকে সরিয়ে নেওয়ার নানাবিধ কৌশল অবলম্বন করে থাকেন; যা চরম পুলক বা তৃপ্তিকে বিলম্বিত করতে সাহায্য করে। আমার পরিচিত এক ব্যক্তি রয়েছেন,
