রাখা যে— “আমি অবশ্যই সফল হব!”
কেউ কেউ গ্রাম্য সমাজের একটি কুপ্রথার কথা উল্লেখ করেছেন যে—কোনো যুবক যদি প্রথম রাতে সফল না হয়, তবে পরদিন সকালে তার বন্ধুরা তাকে ‘নপুংসক’ বলে বিদ্রূপ করে। আবার সে সফল হলে কনের বান্ধবীরা কনেকে দোষারোপ করে যে, সে কেন প্রথম রাতেই ধরা দিল! এই সামাজিক বিদ্রূপ থেকে বাঁচতে অনেক নারী শুরুতে বাধা দেয়, আর স্বামীও বন্ধুদের কাছে লজ্জা পাওয়ার ভয়ে স্ত্রীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে বাধ্য করতে চায়। এটি অত্যন্ত জঘন্য ও অমানবিক একটি কাজ।
কুমারীত্ব মোচনের সঠিক পদ্ধতি ও উপায়
১. দীর্ঘ ও কোমল প্রেম নিবেদন: দীর্ঘক্ষণ আদর, সোহাগ ও ছন্দময় প্রেম নিবেদন নারীর মনের সব জড়তা কাটিয়ে দেয়। এতে নারীর কামগ্রন্থি থেকে রস নিঃসৃত হয় এবং স্পর্শকাতর অঙ্গগুলো উত্তেজিত হয়ে ওঠে। ফলে যোনিপথ পিচ্ছিল ও নমনীয় হয় এবং পুরুষাঙ্গ প্রবেশ করা সহজ হয়।
২. উপযুক্ত মিলন ভঙ্গি:
প্রথম পদ্ধতি: স্ত্রী চিত হয়ে শুয়ে দুই পা ভাজ করে কাঁধ পর্যন্ত নিয়ে আসবেন। এতে লজ্জাস্থান উন্মুক্ত হয় এবং মিলন সহজ হয়। এটি আধুনিক একটি পদ্ধতি।
দ্বিতীয় পদ্ধতি: স্বামী নিচে শুয়ে থাকবেন এবং স্ত্রী ওপরে আসীন হয়ে ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখে মিলন করবেন। এটি প্রাচীনকাল থেকেই প্রচলিত এবং অধিকতর নিরাপদ পদ্ধতি। শারীরিক ক্লান্তিতে ভোগা পুরুষদের জন্য এটি বেশ আরামদায়ক।
পরবর্তী করণীয়:
যদি মিলনের পর রক্তক্ষরণ হয়, তবে স্ত্রীর উচিত পা জোড়া করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেওয়া। রক্ত বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত পুনরায় মিলন থেকে বিরত থাকতে হবে। জখম শুকানোর আগ পর্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও জীবাণুনাশক ব্যবহারের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। মিলনের সময় স্ত্রী ব্যথা অনুভব করলে পিচ্ছিলকারক হিসেবে গ্লিসারিন বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করা যেতে পারে।
যৌন স্বাস্থ্য ও আধ্যাত্মিক সমাধান
যদি প্রথম কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত মিলন সফল না হয়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে এবং পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করতে হবে।
যৌনশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক খাবার: মাংস, ফুলকপি, ডিম, দই-চিঁড়া, দুধ-ভাত, মাছ, গাজর, গোলমরিচ, লেবু, সরিষা, জিরা, পেঁয়াজ, ধনেপাতা, আদা, দারুচিনি, পুদিনা পাতা, জাফরান এবং পায়া (গরুর পা) সেদ্ধ।
ক্ষতিকর বিষয়: অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম, রোগব্যাধি, মানসিক দুশ্চিন্তা এবং খেলাধুলা বর্জন যৌন আকাঙ্ক্ষাকে কমিয়ে দেয়। উল্লেখ্য যে, যাদের উত্তেজনা
